ভারতে চিকিৎসা বন্ধ সমাধানের উদ্যোগ নিবেন বাণিজ্যমন্ত্রী

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯ নভেম্বর ২০১৭, ২২:৫১ | অনলাইন সংস্করণ

ফাইল ফটো
মেডিক্যাল ভিসা ছাড়া ভারতের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবা দেওয়া বন্ধ করা হয়েছে। যে কারণে অনেক বাংলাদেশি রোগী হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এই সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

রবিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দারের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার রোগী ভারতে চিকিৎসা সেবা নিতে যান। কিন্তু বর্তমানে ভারত সরকার মেডিক্যাল ভিসা ছাড়া বিদেশিদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া বন্ধ করেছে। এমনকি সেখানকার হাসপাতালগুলোতে সংসদ সদস্যদের কাছেও মেডিক্যাল ভিসা দেখাতে বলা হচ্ছে। ফলে অনেকেই চিকিৎসা সেবা থেকে বিরত হচ্ছে। এমনকি হয়রানিরও শিকার হচ্ছে।

এই সমস্যা সমাধানে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কিনা? জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত আমাদের বন্ধু দেশ। মহান মুক্তিযুদ্ধে তাদের বড় ধরনের অবদান রয়েছে। সেখানে এমপিদের কূটনীতিক ভিসা নিয়ে গেলে চিকিৎসা সেবা পেতে কোনো বাধা থাকার কথা নয়। আর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশন থেকে মেডিক্যাল ভিসা পেতে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

তিনি আরও বলেন, ভারতে গিয়ে চিকিৎসা সেবা পেতে সমস্যা হচ্ছে, বিষয়টি আমার জানা নেই। সংসদ সদস্য যেহেতু বিষয়টি উত্থাপন করেছেন, সেহেতু বিষয়টি নিয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে দেখবো। কোনো সমস্যা থাকলে তা ভারতীয় হাই কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জনশক্তি রপ্তানি বাড়ছে
বাংলাদেশ থেকে বিদেশে জনশক্তি রপ্তানি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি’র অনুপস্থিতিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে তিনি এ তথ্য জানান।

সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম ওমরের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বাংলাদেশ হতে বিশ্বের ১৬৫টি দেশে কর্মী প্রেরণ করা হয়। ২০১৫ সালে বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা ছিল ৫ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮৮১জন। ২০১৬ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৭ লক্ষ ৫৭ হাজার ৭৩১জনে উন্নীত হয়। আর চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা ৮ লক্ষ ৩৪ হাজার ৭৭৩ জন।

নারী শ্রমিক নির্যাতন
সংসদ সদস্য আলী আজমের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বিদেশে নারী শ্রমিকরা নির্যাতনের শিকার হন, এমন ঢালাও অভিযোগ সঠিক নয়। ঢালাও ভাবে এমনটি হলে আমাদের মা-বোনরা সেখানে যেতো না। কোথাও কোথাও এমনটা হয়ে থাকে। তবে এমন ঘটনার খবর পেলে দূতাবাসগুলো ব্যবস্থা নিয়ে থাকে।

তিনি আরও বলেন, অনেক স্থানেই অনেক কারণে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে থাকে। তবে বিদেশে গিয়ে কেউ নির্যাতনের শিকার হলে আমরা সকলেই কষ্ট পেয়ে থাকি। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও দূতাবাসগুলো সতর্ক রয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে