সে আলো ছড়িয়ে গেল সব প্রাণে

  নিজস্ব প্রতিবেদক

২৯ মার্চ ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ২৯ মার্চ ২০১৮, ১৪:২৫ | অনলাইন সংস্করণ

ভরা চৈত্র মাস হলেও নেই দাবদাহ। আলোর উছলেপড়া হাসিতে উদ্ভাসিত প্রকৃতি; উদ্ভাসিত আমাদের সময়ের আম্রকাননও। উপরন্তু সেই কাননে বসেছে ভালোবাসার মিলনমেলা। বর্ণাঢ্য সেই মিলনমেলার বর্ণিল ছটা আর প্রকৃতির ঝলমলে আলো মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে; ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিটি প্রাণে। গতকাল বুধবার প্রাণবন্ত আনন্দ-উৎসবে উদযাপিত হয়েছে দৈনিক আমাদের সময়ের জন্মদিন।
সাড়ম্বরপূর্ণ এই আন্তরিক আয়োজনে শামিল হয়েছিলেন সমাজের বিভিন্ন অঙ্গনের উজ্জ্বল সব ব্যক্তিত্ব। ভালোবাসার উষ্ণতা দিয়ে তাদের অভ্যর্থনা জানানো হয়। নতুন আরও একটি বছরে পদার্পণ উপলক্ষে গতকাল দৈনিকটির তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে আয়োজিত এই আনন্দযজ্ঞে ছিল হরেক আয়োজন। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত উচ্ছ্বাসে মুখর ছিল নতুন ভিশন লিমিটেড থেকে প্রকাশিত এই পত্রিকাটির প্রাঙ্গণ। সুশীলসমাজের ব্যক্তিবর্গ, মন্ত্রী, রাজনীতিবিদ, কবি-লেখক, শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী, মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, আমলা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তারা যোগ দিয়েছিলেন সেই উৎসবে। সঙ্গে ছিল তাদের ভালোবাসা আর অকুণ্ঠ অনুপ্রেরণা। আমাদের সময়ও তাদের বরণ করে নেয় প্রগাঢ় হৃদ্যিক উষ্ণতায়। আমন্ত্রিতদের ফুলেল শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে এদিন ফুলে ফুলে ভরে যায় আমাদের সময়ের প্রাঙ্গণ।
ইউনিক গ্রুপ ও নতুন ভিশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহা. নূর আলী, আমাদের সময়ের উপদেষ্টা সম্পাদক আবুল মোমেন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোহাম্মদ গোলাম সারওয়ার, নতুন ভিশন লিমিটেডের পরিচালক মো. আলী হোসেন ও এম. আমান উল্লাহ, প্রকাশক এসএম বকস কল্লোল অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান।
বেলা পৌনে ১২টার দিকে কেক কাটার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। আমাদের সময়ের পক্ষ থেকে এদিন দেশের খ্যাতিমান তিন নক্ষত্র অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা ও ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে সম্মাননা দেওয়া হয়। দিনভরই মঞ্চে চলেছে খ্যাতনামা শিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। মুগ্ধতা নিয়ে তা উপভোগ করেন আমন্ত্রিত অতিথি, শুভানুধ্যায়ীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দর্শক-শ্রোতা। অনেকেই কফি হাতে মেতে ওঠেন আড্ডায়। তথ্য সংগ্রহ ও প্রচারে সদাব্যস্ত দৈনিকটির কর্র্মীরাও নিজেদের রাঙিয়েছিলেন উৎসবের রঙেÑ ছেলেরা ফিরোজা রঙের পাঞ্জাবি, মেয়েরা জলপাই-রঙা সিল্ক কাতান শাড়িতে। সময়টাকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রিয় মানুষগুলোর সঙ্গে নিজেকে ফ্রেমবন্দি করেন অনেকে। এ ছাড়া দেশসেরা শিল্পীদের মন মাতানো গান এনে দিয়েছিল উদযাপনে ভিন্নমাত্রা।
সকালে কেক কাটা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মোহা. নূর আলী, পিএইচপি গ্রুপের চেয়ারম্যান সূফী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, উপদেষ্টা সম্পাদক আবুল মোমেন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোহাম্মদ গোলাম সারওয়ার, নতুন ভিশন লিমিটেডের পরিচালক মো. আলী হোসেন প্রমুখ।
মঞ্চে বিশালাকৃতির কেক কাটার পর উপস্থিত সুধীজনদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে মোহা. নূর আলী বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি বলেই আজ স্বপ্ন দেখার সাহস পাই। আমরা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করি এবং তা হৃদয়ে লালন করি।
তিনি বলেন, পাঠকই পত্রিকার প্রাণ। অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে পত্রিকাটি ভূমিকা রাখছে। সবার ধারাবাহিক সমর্থন অব্যাহত থাকলে সেই ভূমিকা আরও বেগবান হবে।
তিনি বলেন, পত্রিকাটি তার নীতি অক্ষুণœ রেখে আপন গতিতে পরিচালিত হয়। হলুদ সাংবাদিকতাকে বর্জন করে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ আমাদের সময়।
তিনি যোগ করেন, আমরা সময়কে যথাযথ কাজে লাগাতে পারছি না। সময়ের অপচয় রোধ করে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের পরে স্বাধীনতা অর্জন করেও অনেক রাষ্ট্র শক্তিশালী অর্থনীতির রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত। আমাদেরও যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, সংবাদ পরিবেশনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কমিটমেন্ট নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমাদের সময় পত্রিকাটি নিয়মিত পড়ি। নিষ্ঠার সঙ্গে পত্রিকাটি পরিচালিত হচ্ছে। স্বাধীনতার চেতনায় পত্রিকাটি লেখনীর মাধ্যমে মানুষের মন জয় করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আমাদের সময়কে শুভেচ্ছা জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, আমাদের সময় পত্রিকা এ দেশের মাটি ও মানুষের প্রতি অনুগত থেকে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি দায়বদ্ধ থেকে এবং সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে উন্নয়নের অগ্রগতি, গণতন্ত্র ও সমাজ নিয়ন্ত্রণের পক্ষে নিত্য ভূমিকা রাখছে। এ জন্য আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, দেশে কতগুলো সংবাদপত্র আছে সে হিসাব আমাদের কাছে নেই। অনেক সংবাদপত্রের সৃজনশীলতা নেই। আমাদের সময় সৃজনশীল পত্রিকা।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, গত কয়েক বছর ধরে আমাদের সময় মানুষের পক্ষে লিখে চলেছে। আগামীতেও ঠিক সেভাবেই লিখে যাবে বলে আমরা আশা করি।
জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, নিরাপদ সড়ক চাই নিয়ে আমাদের সময়ে লেখা হয়। এ জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনারা সব সময় সময়কে মূল্যায়ন করবেন। আমি সব সময় সময়কে মূল্যায়ন করেছি।
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, আমাদের সময় দেশের মানুয়ের কথা বলবে, গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলবে। ভোট ও গণতন্ত্রের দাবির পক্ষে কথা বলবেÑ এটিই আমাদের প্রত্যাশা।
এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহদাত হোসেন সেলিম বলেন, সুন্দর একটি দেশ গড়তে আমাদের সময় বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি। যাত্রার দীর্ঘ এ পথে জনগণের পাশে থাকার জন্য আমাদের সময়কে ধন্যবাদ জানাই। শুভ জন্মদিন আমাদের সময়।
সংসদ সদস্য এমএ মালেক বলেন, মিডিয়া স্বাধীন। তাই এর দায়িত্বও বেশি। সব বিষয় নিয়ে লিখতে হবে। দেশপ্রেম নিয়ে লিখতে হবে। তা হলেই পাঠকের ভেতর দেশপ্রেম তৈরি হবে। আমাদের সময়কে জানাই শুভকামনা।
শুভেচ্ছা জানাতে আমাদের সময়ে এসেছিলেন সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার; ছিলেন স্বনামধন্য আলোকচিত্রী দম্পতি চঞ্চল মাহমুদ ও রায়না মাহমুদ। প্রেজেন্টারস প্লাটফর্ম বাংলাদেশের তরফে শুভেচ্ছা জানান সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক দেবাশীষ বিশ্বাস।
মধ্যাহ্নভোজের পর জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ, আসিফ আকবর, কনা, কাজী শুভ ও এফএ সুমনসহ দেশখ্যাত শিল্পীদের পরিবেশনায় আনন্দ উচ্ছল হয়ে ওঠেন আগতরা। পরিবেশনার ফাঁকে ফাঁকে চলে পরস্পরের সঙ্গে কুশলবিনিময় আর আমাদের সময়ের প্রতি শুভেচ্ছা।
ফুলের ডালি হাতে গতকাল কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, পর্যটনমন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামাল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণচন্দ্র চন্দ এসেছিলেন আমাদের সময়ে। সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুুর রাজ্জাক, মানবাধিকারকর্মী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, বিশিষ্ট লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ক্যাপ্টেন (অব) এবি তাজুল ইসলাম, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, আইন সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, উপদপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া, কার্যনির্বাহী সদস্য গোলাম রব্বানী চিনু, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, সহসভাপতি বজলুর রহমান, তেজগাঁও থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ওয়ার্ড কমিশনার শফিউল্লাহ শফি, প্রচার সম্পাদক আজিজুল হক রানা শুভেচ্ছা জানাতে হাজির হয়েছিলেন গতকাল। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আখতার হোসেন, দপ্তর সম্পাদক গোলাম রব্বানী বাবলুও আসেন আমাদের সময়ে। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীমের পক্ষ থেকে তার ব্যক্তিগত সহকারী প্রীতম ও যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান যুবলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্রবিষয়ক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম হাওলাদার। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা উপলক্ষে উত্তরবঙ্গের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে অবস্থান করায় সেখান থেকে টেলিফোনে আমাদের সময়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।   
বিএনপি নেতাদের মধ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল (অব) মাহবুবুর রহমান, সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বরকতউল্লাহ বুলু ও তার স্ত্রী শামীমা বরকত লাকী, অ্যাডভোকেট নিতাই রায়চৌধুরী, আবদুল আউয়াল মিন্টু, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, সহসাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, আকন কুদ্দুসুর রহমান, আবদুল আউয়াল খান, যুববিষয়ক সহসম্পাদক নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অভিনেতা বাবুল আহমেদ, বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ, ব্যারিস্টার সারোয়ার হোসেন, পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সহসভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, সাহাবুদ্দিন নান্নু, গোলাম মোস্তফা, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুবুল হাসান ভূঁইয়া পিংকু, বরিশাল যুবদলের উত্তরের সভাপতি উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিক নেতা আবদুল হাই সিকদার, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার, শায়রুল কবির খানও উপস্থিত ছিলেন।
২০-দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে লেবার পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদৎ হোসেন সেলিম, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, ঢাকা মহানগর সদস্য সচিব শহীন নবী ডাবলু, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এমএম আমিনুর রহমান, এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, লেবার পার্টির (একাংশ) হামদুল্লাহ আল মেহেদী, সাবেক ছাত্রনেতা এমএন শাওন সাদেকী উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পক্ষে তার দলের মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এবং প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায় শুভেচ্ছা জানাতে আসেন আমাদের সময় কার্যালয়ে।
ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী, ডিএসইর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন, ডিবিএর সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমেদ রশিদ লালী, ডিএসইর সাবেক পরিচালক খাজা গোলাম রসুল, অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শামস্ -উল ইসলাম, প্লাস্টিক দ্রব্য রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি জসিম উদ্দিন, বিজিএমইএর প্রেসিডেন্ট সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখও এসেছিলেন জন্মদিনের অনুষ্ঠানে।
এ ছাড়া পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, র‌্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ, পুলিশের বিশেষ শাখাপ্রধান (এসবি) অতিরিক্ত আইজিপি মীর শহীদুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের গণমাধ্যম শাখার ডিআইজি একেএম শহীদুর রহমান, র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান, সিটিটিসির স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের ডিসি প্রলয় কুমার জোয়ার্দার, ডিএমপির মিডিয়া শাখার ডিসি মাসুদুর রহমান, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি (গণমাধ্যম) সহেলী ফেরদৌসী, সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা একেএম কামরুল আহছান, র‌্যাবের উপপরিচালক মেজর আব্দুল্লাহ আল মেহেদী প্রমুখ শুভেচ্ছা জানাতে আসেন।  
শুভেচ্ছা জানাতে আরও এসেছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব শাহাবুদ্দিন আহমদ, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. বদরুল হাসান, মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জামাল উদ্দীন আহমেদ, বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, সেনাকল্যাণ সংস্থার উপ-মহাপরিচালক কর্নেল মো. ফরিদউদ্দিন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়–য়া।
শুুভেচ্ছা জানাতে এসেছিলেন সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ও বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ও বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম ও সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। এ ছাড়া খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বদরুল হাসান, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের উপপ্রকল্প পরিচালক নাজির আহমেদ, মৎস্য অধিদপ্তরের ডিজি মো. গোলজার হোসেনও শুভেচ্ছা জানান। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের পক্ষ থেকে সহকারী পরিচালক ওয়াজিরউদ্দিন আহমেদ, রাশেদুল আলম খান, সেনাকল্যাণ সংস্থার ডিডিজি কর্নেল মো. ফরিদউদ্দিন এবং আলোকচিত্রী রিয়াজুল ইসলাম শুভেচ্ছা জানাতে আসেন।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, কবি নাসির আহমেদ, কবি ফারুক মাহমুদ, কবি গোলাম কিবরিয়া পিনু, শিশু একাডেমির পরিচালক ও ছড়াকার আনজীর লিটন, ছড়াকার আলম তালুকদার, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক শাহনাজ মুন্নী, কবি সাখাওয়াত টিপু, শিশুসাহিত্যিক ও গবেষক নজরুল ইসলাম নাঈম, ছড়াকার গোলাম নবী পান্না, মনিরুজ্জামান পলাশ, ফয়েজ রেজা, কামাল হোসাইন,  কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাস ও লেখক রেজাউল করীম খোকন প্রমুখ যোগ দিয়েছিলেন আমাদের সময়ের এই আনন্দযজ্ঞে।
সংগীতশিল্পী বেলাল খান, অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন, চিত্রনায়ক ওমর সানী, চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা, আরেফিন শুভ, নাট্যনির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী, গীতিকার রফিকুজ্জামান, চিত্রনায়িকা পরী মনি,  চিত্রনায়ক বাপ্পী চৌধুরী, রোশন, জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আবদুল আজিজ, ঢালিউডের জনপ্রিয় খলনায়ক মিশা সওদাগর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, জাতীয় পাঠক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সদস্য (টেক্সট) প্রফেসর ড. মিয়া ইনামুল হক সিদ্দিকী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, লেখক খাইরুল আলম মনির, বিদ্যুৎ খাতের পরামর্শক সংস্থা পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন, উপপরিচালক মঞ্জুর হোসেন, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর এম মোজাম্মেল হক, বিআরটিএর চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ভোলানাথ দে প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন, গ্লোব ফার্মা গ্রুপ, আকাক্সক্ষা’স গ্লামার ওয়ার্ল্ড, ঢাকা সংবাদপত্র হকার্স বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড, সংবাদপত্র হকার্স কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড, সংবাদপত্র এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ও সংবাদপত্র এজেন্ট কল্যাণ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংগঠনগুলোর অন্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, এডি প্লাস, আরটিভি, কোহিনূর কেমিক্যাল, বাংলাদেশ ক্যাবল টিভি দর্শক ফোরাম, প্রকৃতি ও জীবন, বাঙালি ফিল্মস, ইনকম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ, অপ্পো বাংলাদেশ, সারা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেড, টিসিবি, জাজ মাল্টিমিডিয়া, ঈগল মিউজিক, বেপজা, মিনিস্টার, মাইওয়ান, রঙ, পপুলার অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেড, স্মৃতি অ্যাডভারটাইজিং, ইমামি বাংলাদেশ লিমিটেড, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বালুচর অ্যাড মিডিয়া, টোটাল এয়ার সার্ভিসেস, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি, ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল, বাংলাদেশ সংবাদপত্র এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, এসিআই, নতুনধারা এসেটস লিমিটেড, বাংলাদেশ নিউজ পেপার মিডিয়া, কম্পিউটার অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন, আদর্শ ডিগ্রি কলেজ, ঢাকা ট্রিবিউন, খোলা কাগজ, ফ্যাশন ইন্টারপ্রেনর্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, বিক্রয়.ডম, ডিরেক্টর গিল্ডের পক্ষ থেকেও ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।  এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান আমাদের সময়কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইভান সাইর ও অহনা।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে