• অারও

সংসদে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল পরিবহন প্রকল্প

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ এপ্রিল ২০১৮, ২০:১০ | আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০১৮, ২২:৪৯ | অনলাইন সংস্করণ

পুরোনো ছবি

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ‘দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় করতে স্বল্প সময় ও খরচে, অপচয়বিহীন এবং নিরাপদে জ্বালানি তেল পাইপলাইনের মাধ্যমে পরিবহনের জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন স্থানে পাইপলাইন স্থাপন প্রকল্প গ্রহণ করেছে।’

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জাসদ দলীয় সংসদ সদস্য বেগম লুৎফা তাহেরের প্রশ্নের লিখিত উত্তরে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাহাজ হতে সরাসরি পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল খালাস ও চট্টগ্রামে পরিবহনের জন্য কক্সবাজার জেলার মহেশখালী এলাকায় ‘ইনস্টলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) উইথ ডাবল পাইপলাইন’ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম হতে ঢাকা পর্যন্ত পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল পরিবহনের জন্য পাইপলাইন ফর ট্রান্সপোর্টেশন অব হোয়াইট পেট্টোলিয়াম অয়েল ফ্রম চিটাগাং প্রকল্প এবং হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর সংলগ্ন কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপোতে উড়োজাহাজের জ্বালানি তেল পরিবহন ও মজুদের নিমিত্তে’ জেট-এ-১ পাইপলাইন ফ্রম কাঞ্চন ব্রীজ, পিতলগঞ্জ টু কেএডি ডিপো, ঢাকা ইনক্লুডিং স্টোরেজ ট্যাংক’ প্রকল্প গৃহীত হয়েছে। 

আলী আজমের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে বর্তমানে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা গড়ে প্রায় নয় হাজার ৬০০ থেকে ১০ হাজার ১০০ মেগাওয়াট। তবে বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানির কাছ থেকে প্রাপ্ত চাহিদার তথ্য অনুযায়ী আসন্ন গ্রীষ্মকালীন সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা গড়ে সাড়ে ১১ হাজার থেকে ১৩ হাজার মেগাওয়াট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘দেশে বিদ্যুতের মোট স্থাপিত উৎপাদন ক্ষমতা ক্যাপটিভসহ ১৬ হাজার ৪৬ মেগাওয়াট। বর্তমানে দেশের চাহিদার তুলনায় উৎপাদন ক্ষমতা বেশি থাকায় কোনো বিদ্যুৎ ঘাটতি পরিলক্ষিত হচ্ছে না। তবে গ্রীষ্মকালীন সঞ্চালন ও বিতরণ নেটওয়ার্কের সীমাবদ্ধতা, গ্যাস সরবরাহের অপ্রতুলতা ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য মাঝে মধ্যে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে।’

ফরিদুল হক খানের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘গত এক দশকে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দেশে জ্বালানি চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে। সদ্য আবিস্কৃত ভোলা গ্যাস ক্ষেত্রসহ দেশে বর্তমানে আবিস্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৭টি, যার মধ্যে ২০টি বর্তমানে উৎপাদনে আছে। বর্তমানে দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের দৈনিক গড় চাহিদা প্রায় তিন হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট- যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের সমুদ্রাঞ্চলকে মোট ২৬টি ব্লকে (অগভীর ১৫টি ও গভীর ১১টি) ভাগ করে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। বর্তমানে চারটি ব্লকে তিনটি আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এছাড়া দেশে আবিস্কৃত বিপুল পরিমাণ উন্নতমানের কয়লা দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে