• অারও

ব্যাংকে সিমাহীন লুটপাট চলছে : রওশন এরশাদ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ এপ্রিল ২০১৮, ২২:৪২ | অনলাইন সংস্করণ

পুরোনো ছবি
ব্যাংকে সিমাহীন লুটপাট চলছে মন্তব্য করে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ বলেছেন, ‘পুরো ব্যাংকিংখাতে ধ্বংস নেমেছে। একটি চক্র হাজার হাজার কোটি টাকা লুটে নিচ্ছে। তারা এই অর্থ বিদেশেপাচার করছে। ব্যাংকে এখন পরিবারতন্ত্র জেঁকে বসেছে। টাকা নিয়েই মেরে দিচ্ছে। এর অবসান জরুরী।’

আজ বৃহস্পতিবার দশম জাতীয় সংসদের ২০ তম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় অর্থমন্ত্রী সংসদে উপস্থিত ছিলেন।

রওশন এরশাদ বলেন, ‘ব্যাংকে ঋণ খেলাপী বাড়ছে। অর্থমন্ত্রী আমার দিকে তাকিয়ে আছেন। খেলাপী ঋণ আদায় করবেন। প্রয়োজনীয় সংস্কার করবেন। মানুষের আস্থা ধরে রাখতে হবে। অর্থমন্ত্রী একজন বিজ্ঞ ব্যক্তি। তার মতো ব্যক্তি থাকতে ব্যাংক ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে তা মেনে নেয়া যায়না। আমি আশা করবো তিনি ব্যাংক রক্ষা করবেন।’

বিরোধী দলীয় এই নেত্রী বলেন, ‘মানুষ ব্যাংকে টাকা রাখতে ভরসা পায়না। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করে মানুষ পথে বসেছে। ব্যাংকে টাকা রেখেও তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। কি সরকারি ব্যাংক, কি বেসরকারি ব্যাংক সর্বত্র লুটপাট চলছে। সর্বত্র নৈরাজ্য চলছে। বড় বড় খেলাপীরা ধরাছোয়ার বাইরে রয়ে যাচ্ছে। চুনোপুটিদের ধরা হচ্ছে। এই যদি হয় অবস্থা তাহলে মানুষ কোথায় যাবে। মানুষের আমানত যাতে কেউ খেয়ানত করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা ব্যবস্থায়ও ধ্বংস নেমেছে। প্রতিনিয়ন প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে বলবো আর যাতে প্রশ্নপত্র ফাঁস না হয়- তিনি সেই উদ্যোগ নেবেন।’
 
বিরোধীদলীয় নেতা যানজট নিরসনে সরকারকে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ফুটপাতের রাস্তাও বেদখল হয়ে যাচ্ছে। এভাবে একটি দেশ চলতে পারেনা। ফুটপাত মানুষের হাটার জন্য উন্মুুক্ত রাখতে হবে।’ খাদ্যে ভেজাল রোধে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘সর্বত্র ভেজাল। এই ভেজাল রোধ করতে হবে। নারী ও শিশুর ওপর সহিংসতার প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, নারী ও শিশুর ওপর নির্যাতন চলছে। এর অবসানে কঠোর আইন করতে হবে।’
 
রওশন এরশাদ বলেন, ‘আমাদের শহরটি পুরো একটি আবর্জনার শহর। এখন আবাসিক এলাকা বলতে কিছু নেই। উন্নয়নের নামে চলে সারাবছর খুড়াখুড়ি। এটা হয় সমান্বয়হীণতা অভাব। তারপর আছে গণপরির্তন সমস্যা। তারপরতো আছে যানজট। যানজট মুক্ত করতে পারলে প্রবৃদ্ধি পেত। দৈনিক ৮০ ভাগ কর্মঘন্টা নষ্ট হচ্ছে।’

এ সময় তিনি সর্বমোট  যানযট নিরাসনে পৃথক কমিটি গঠন করার আহবান জানান।

 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে