পিএইচপির জমি থেকে খুঁটি-বেড়া সরিয়ে নিল কেএসআরএম

  চট্টগ্রাম ব্যুরো

১৭ মে ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১৭ মে ২০১৮, ০০:৫৭ | অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের সীতাকু- উপজেলার বাড়বকু- এলাকায় পিএইচপির জায়গায় অবৈধভাবে দেওয়া খুঁটি ও কাঁটাতারের বেড়া অবশেষে তুলে নিতে বাধ্য হয়েছে কবির স্টিল রি-রোলিং মিলস (কেএসআরএম) কর্তৃপক্ষ। গতকাল বুধবার রেলওয়ের গঠিত কমিটির সদস্য, স্থানীয় প্রশাসন এবং পিএইচপি ও কেএসআরএম গ্রুপের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে কাঁটাতারের বেড়া ও বাঁশের খুঁটি তুলে নেওয়া হয়। অবৈধভাবে দখল করা ৫৯ দশমিক ৮০ শতক জায়গাও বুঝিয়ে দেয় কেএসআরএম। পরে পিএইচপির লিজ নেওয়া জায়গায় খুঁটি দিয়ে

সীমানা নির্ধারণ করে দেন রেলের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা (সদর) লুৎফুন্নাহার আমাদের সময়কে বলেন, সীতাকু-ের বাড়বকু- এলাকায় রেলওয়ে থেকে পিএইচপির নেওয়া লিজের কিছু জায়গা দখল করেছিল কেএসআরএম। বিষয়টি নিয়ে দুই শিল্প গ্রুপের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিরসনে প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে দেন। গতকাল বুধবার আমরা সেখানে গিয়ে উভয়পক্ষের জায়গা বুঝিয়ে দিয়েছি। বর্তমানে আর কোনো বিরোধ নেই। উভয় পক্ষ রেল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। তিনি বলেন, পিএইচপির লিজ নেওয়া জায়গায় এসে কেএসআরএম ৫৯ দশমিক ৮০ শতক অবৈধভাবে দখলে নিয়ে খুঁটি ও কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছিল।

পিএইচপি ফ্যামিলির জিএম (ভূমি) আমির হোসেন বলেন, পিএইচপির প্রায় ৬০ শতক জায়গা সন্ত্রাসী দিয়ে জোর করে দীর্ঘ ৪৮ দিন জবরদখল করেছিল কেএসআরএম। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রশাসনের কাছে সুবিচার প্রত্যাশা করেছিলাম। গতকাল ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা লুৎফুন্নাহারের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের কমিটি আমাদের জায়গা বুঝিয়ে দিয়েছেন। এতে সত্যের জয় হয়েছে।

গত ২৯ মার্চ আকস্মিকভাবে সন্ত্রাসী দিয়ে পিএইচপির মালিকানাধীন জায়গায় কংক্রিটের পিলার ও কাঁটাতারের বেড়া দেয় কেএসআরএম। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ পিলার তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিলে কিছুটা পেছনে সরে গিয়ে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে কাঁটাতারের বেড়া দেয় কেএসআরএম। অবৈধভাবে পিএইচপির জায়গা দখল করায় কেএসআরএমের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয় পিএইচপি ফ্যামিলির। পরে রেলের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে কেএসআরএম পিএইচপির লিজ নেওয়া জমি দখল করার বিষয়টি উঠে আসে। এর পরও কেএসআরএম নানাভাবে জায়গাটি দখলে রাখতে মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অবৈধভাবে দখলে নেওয়া জায়গা ছাড়তে বাধ্য হয় কেএসআরএম।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে