যাত্রীর চাপ নেই সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ জুন ২০১৮, ১৮:৪১ | আপডেট : ১৩ জুন ২০১৮, ১৯:৫৮ | অনলাইন সংস্করণ

পুরোনো ছবি
ঈদে রাজধানী থেকে ঘরে ফেরার চিরাচরিত যে দৃশ্য তা আজ বুধবার পর্যন্ত চোখে পড়েনি সায়োবাদ বাস টার্মিনালে। যাত্রীর চাপ বা উপচে পড়া ভিড় নেই। সংকট নেই টিকিট বা যানবাহনেরও।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার যাত্রীরে চাপ থাকবে বলে আশা করছেন পরিবহণের লোকজন।

আজ দুপুর দেড়টায় সরেজমিনে সায়োবাদ বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়ম, যাত্রীর ভিড় অনেকটাই স্বাভাবিক। ঈদের আগে টার্মিনালগুলোতে ঘরমুখো মানুষের যে ধরনের ভিড় ও ছোটাছুটি চোখে পড়ে সে রকম কোনো পরিস্থিতি নেই। স্বাভাবিকভাবেই যাত্রীরা কাউন্টারে এসে টিকিট নিতে পারছেন। অনেক কাউন্টারের লোকজন হাকডাক দিয়েই যাত্রীদের বাসে ওঠানোর চেষ্টা করছেন। বাস ভাড়াও স্বাভাবিক রয়েছে বলে যাত্রীরা জানান। দূরপাল্লার বাসগুলো নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে যেতে পারছে।

ঢাকা-কিশোরগঞ্জের রুটে চলাচলকারী অনন্যা পরিবহণের চালক জাকির হোসেন জানান, অন্য ঈদে যাত্রীর চাপ হয়। এই ঈদে তেমন চাপ হয় না।

ঢাকা-হবিগঞ্জগামী অনিক সুপার পরিবহনের চালক রুহুল আমিন বলেন, রাস্তা ভালো আছে। যানজট নেই। তবে এবার যাত্রীর চাপ নেই।

যাত্রীর চাপ কেন এত কম-জানতে চাইলে ঢাকা-সুনামগঞ্জগামী একটি পরিবহণের মালিক জানান, আসলে সুনামগঞ্জ, দিরাই এলাকার মানুষ অনেক গরিব। ঢাকায় তেমন চাকরিজীবী নেই। বেশিরভাগই গার্মেন্টস শ্রমিক। এসব কারণে এই ঈদে যাত্রীর চাপ কম। তবে আগামীকাল চাপ হবে। কমপক্ষে এক থেকে দেড় লাখ গার্মেন্টস শ্রমিক ভিড় জমাবে।

রাস্তার বিষয়ে ওই পরিবহন মালিক বলেন, সুনামগঞ্জ, ছাতক, জাফলং-এসব রাস্তা বেশ ভাঙাচোরা। তা ছাড়া অন্য রাস্তার তুলনায় প্রিড ব্রেকার অনেক বেশি। এ কারণে দুর্ভোগ একটু বেশিই হচ্ছে।

বরিশালগামী হামিম পরিবহন, সাকুরা পরিবহন, রিপন মল্লিক পরিবহন, সাউদিয়া পরিবহনের কাউন্টারে কথা বলে জানা গেছে, ঈদে সাধারণত এ রকম হয় না, কিছু যাত্রী পাওয়া যায়। কিন্তু এবার ব্যতিক্রম। যাত্রীরা লঞ্চে যাতায়াত করছে।

শ্যামলী পরিবহনের একজন চালক জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তেমন কোনো সমস্যা নাই। যাত্রীর চাপ বেশি না। যানজট তুলনামূলকভাবে কম আছে। এ কারণে সময়মতোই বাসগুলো টার্মিনাল ছেড়ে যাচ্ছে।

মৌলভীবাজারগামী মায়ের দোয়া (তাজ পরিবহনের) বাসের যাত্রী আবুল হোসেন জানান, বাস ভাড়া স্বাভাবিক আছে। তবে ঈদ বকশিশ হিসেবে বেশি দাবি করে ৪০ কেজি মালামাল বাসের ছাদে ওঠাতে ২৫০ টাকা আদায় করেছে শ্রমিকরা।  

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে