বিকাশ-রকেটে ভাতা চান না মুক্তিযোদ্ধারা

  নিজস্ব প্রতিবেদক

০৪ জুলাই ২০১৮, ১৯:৫৮ | অনলাইন সংস্করণ

ব্যাংক অ্যাকাউন্টের পরিবর্তে বিকাশ বা রকেটের মতো মোবাইল ব্যাংকিয়ের মাধ্যমে সন্মানিভাতা নিতে চান না মুক্তিযোদ্ধারা। ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে ডিটিজাল মাধ্যমে (বিকাশ বা রকেটে) ভাতা প্রদানের লক্ষ্যে গত ১৭ মে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

আজ বুধবার দুপুরে ওই প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছে মুক্তিযোদ্ধারা। বিক্ষোভ শেষে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর ঢাকা মহানগরের ৪৯টি থানার কমান্ডার ও ডেপুটি কমান্ডারদের পক্ষে স্মারকলিপি জমা দেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ঢাকা মহানগর ইউনিট কমান্ডার আমির হোসেন মোল্লা।

১০ দফা দাবিতে দেওয়া ওই স্মারকলিপিতে প্রজ্ঞাপন বাতিলের আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক ক্ষতি না করে মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় সন্মানিভাতা সরকারি ব্যাংক সোনালী ও পূবালী ব্যাংক থেকে প্রদান করার আদেশ বহাল রাখতে। প্রজ্ঞাপন জারির কারণে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা এটিএম কার্ড, বিকাশ, রকেট, শিওর ক্যাশ ইত্যাদিতে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক ক্ষতি হবে এবং নানা ঝামেলায় পড়বে। এই সিদ্ধান্তকে হঠকারী বলে এটি বাতিলের দাবি করেন মুক্তিযোদ্ধারা। শুধু তাই নয়, মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে মুক্তিযোদ্ধাদের ডাটাবেজ করার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে প্রত্যায়নপত্র নেওয়ার বিষয়েও আপত্তি জানানো হয়েছে স্মারকলিপিতে।

বলা হয়েছে, প্রজ্ঞাপনে আরও দেওয়া আছে, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভার চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলর এবং মেম্বারদের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র নিতে হবে, যা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অসন্মানের। অনেক জায়গায় স্বাধীনতাবিরোধী চেয়ারম্যান, মেম্বার, কাউন্সিলর আছে। মুক্তিযোদ্ধারা এটা বাতিল চান।

প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে আজ বেলা ১১টা থেকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সামনে জড়ো হন ঢাকা মহানগরের শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা। তারা এ সময় মন্ত্রণালয়ের নিচে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। এর পর স্মারকলিপি জমা দিতে যান মন্ত্রী ও সচিবের কাছে। কিন্তু ওই সময় মন্ত্রী ও সচিব দুজনের একজনও মন্ত্রণালয়ে না থাকায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন) জহুরুল হকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন তারা।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে