sara

দুদকের চোখে বিআরটিএ’র দুর্নীতির চিত্র

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১১ জুলাই ২০১৮, ১৮:১১ | আপডেট : ১১ জুলাই ২০১৮, ১৯:০২ | অনলাইন সংস্করণ

ঘুষ ছাড়া সনদ মেলে না বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি দল।

আজ বুধবার সকালে বিআরটিএ’র কেরাণীগঞ্জ ইকুরিয়া কার্যালয়ে এ অভিযান চালায় দুদক।   

দুদক সূত্র জানায়, দুর্নীতির অভিযোগ প্রদানকারী হটলাইনে (১০৬) একটি অভিযোগ পেয়ে উপপরিচালক খায়রুল হুদার নেতৃত্বে নয় সদস্যর একটি দল বিআরটিএ’র ইকুরিয়া কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়া মাত্র সেখানে অবস্থানরত দালালরা পালিয়ে যায়। এরপরও সরেজমিনে দুদকের দল দেখতে পায়, ২০০২ সালের আগের পুরোনো ও অচল হওয়া অসংখ্য মিশুক নামক যানবাহনকে বেআইনিভাবে সিএনজিকরণ প্রক্রিয়া চলছে। একই স্থানে আনা বেশকিছু মিশুকের চ্যাসিস নম্বর ফেব্রিকেটেড (ঘষাঁঘষি) করে নতুন নম্বর বসানো হয়। এ অনিয়ম দেখে দুদকের দলটি তাৎক্ষণিক  বেআইনি ওই কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।

এ ছাড়া দুদক দলের উপস্থিতিতে এ সময় রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকা আটটি যানবাহনকে পপরীক্ষা করে তাৎক্ষণিক ফিটনেস প্রদান করা হয়। উপস্থিত সেবা প্রার্থীরা দুদকের এ হস্তেক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে।  

দুদকের পক্ষ থেকে জনসচেতনতার জন্য ওই কার্যালয়ে দুর্নীতিবিরোধী স্টিকার ও লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং মাইকিং করে দুর্নীতি-হয়রানি বন্ধে দুদক হটলাইনে (১০৬) কল করার জানানোর অনুরোধ জানানো হয়।

দুদকের অ্যানফোর্সমেন্ট দলের সমন্বয়কারী দুদকের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী জানান, বিআরটিএ’কে অবশ্যই দুর্নীতি মুক্ত করে নির্বিঘ্নে সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ নিজেদের অফিস দালালমুক্ত না করলে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদক কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে। 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে