কর ফাকির মামলা

ইউনাইটেড হাসপাতালের এমডির জামিনের মেয়াদ বাড়ল

  আদালত প্রতিবেদক

১২ জুলাই ২০১৮, ১৬:৫৭ | আপডেট : ১২ জুলাই ২০১৮, ১৭:৪৬ | অনলাইন সংস্করণ

প্রায় সাড়ে ২১ কোটি টাকার কর ফাঁকির মামলায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফরিদুর রহমান খানের জামিনের মেয়াদ আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে এ আসামির জামিন স্থায়ীর আবেদন করা হলে বিচারক মো. কামরুল হোসেন মোল্লা শুনানি শেষে আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করেন।

আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান মানিক এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে মীর আহমেদ আলী সালাম শুনানি করেন। 

একই আদালত গত ১৬ এপ্রিল এ আসামি আত্মসমর্পণপূর্বক জামিন আবেদনের শুনানির পর প্রথমে ১৬ মে ও পরে ১২ জুলাই পর্যন্ত জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধি করেন। এর আগে এ আসামিকে গত ১৬ জানুয়ারি হাইকোর্টে আট সপ্তাহের জামিন প্রদান করেন।

মামলায় বলা হয়, গুলশান-২ আবাসিক এলাকায় ২০০৬ সালের আগস্টে ‘কন্টিনেন্টাল হাসপাতাল’ কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে হাসপাতালটির নাম পরিবর্তন করে ইউনাইটেড হাসপাতাল লিমিটেড করা হয়। ২০০৬ সালে কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর ঢাকা সিটি করপোরেশনের অঞ্চল ৯ এর তৎকালীন উপ-কর কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন বার্ষিক ২৯ কোটি ৩৮ লাখ ৬৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করে নোটিশ প্রদান করেন। কিন্তু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রহমান উক্ত করারোপের বিষয়টি না মেনে ২০০৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর এআরবি (অ্যাসেসমেন্ট রিভিউ বোর্ড) বরাবর আবেদন করেন। তখন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও অন্য দুই সদস্যের অনুপস্থিতিতেই তৎকালীন কমিশনার রহিমা বেগম ২০০৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বার্ষিক কর ২৪ কোটি ৯৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করেন।

বার্ষিক কর কমানোর ফলে ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত পাওনা কর দাঁড়ায় ১৮ কোটি ২২ লাখ ৬৩ হাজার ৯৫২ টাকা। যদি ভবনের বার্ষিক কর না কমানো হত তাহলে পাওনা হতো ২১ কোটি ৪৪ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৩ টাকা। এই বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য ছয় সদস্য বিশিষ্ট অনুসন্ধান টিম গঠন করেছিল দুদক। তদন্তের পাওয়া ফলাফলের ভিত্তিতেই চলতি বছর ১০ জানুয়ারি দুদকের পরিচালক মুহ. মাহবুবুল আলম বাদি হয়ে গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে