‘আমার মেয়ে পর্দানশীল ছিল, তাকে মেরে ফেলেছে’

  নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

১২ জুলাই ২০১৮, ১৯:৫৭ | অনলাইন সংস্করণ

প্রতীকী ছবি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা থেকে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার পৌরসভা এলাকার বাতুপাড়া গ্রামে ওই গৃহবধূর স্বামীর বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।  

নিহত গৃহবধূর নাম আসমা আক্তার সাথী (২২)। তিনি উপজেলার কাজী জোড়পুকুরিয়া গ্রামের শাহাজালালের মেয়ে। সাথীকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তার মা জান্নাতুল ফেরদাউস। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ে পর্দানশীল ছিল। সে হজ্ব পালন করেছে এবং কোরআনের হাফেজা ছিল। আমার বিশ্বাস তারা আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছে।’ 

জান্নাতুল ফেরদাউসের দাবি, ‘সাথীর স্বামী জহির তার ভাবির সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত ছিল। বিষয়টি নিয়ে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই দ্বন্দ্ব হতো। এসব অশান্তির কথা আমার মেয়ে সাথী আমাকে জানালে আমি তাকে সান্ত্বনা দিতাম। আমার মেয়েকে তারা হত্যা করেছে। আমি আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে আমার মেয়ে হত্যার রহস্য উদঘাটন করে বিচার দাবি জানাই।’

নিহতের মা বলেন, ‘চার বছর আগে জহিরুল ইসলামের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় সাথীর। এখন তাদের সংসারে দুই সন্তান রয়েছে। আজ সকাল ৮টার দিকে আমার মেয়ের জামাই জহিরুল জরুরিভাবে তাদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য আমাকে ফোন করে। আমি গিয়ে দেখি, সবাই নীরব। তখন আমি তাদের আমার মেয়ে সাথীর কথা জিজ্ঞেস করলে তারা বলে, “আপনার মেয়ে ফাঁসিতে ঝুঁলে আত্মহত্যা করেছে।” 

এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে