ধর্ষণ করে নামাজ পড়াতে যান ইমাম!

  জকিগঞ্জ(সিলেট)প্রতিনিধি

১৬ জুলাই ২০১৮, ১৮:৫৬ | আপডেট : ১৬ জুলাই ২০১৮, ২১:২৬ | অনলাইন সংস্করণ

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক ইমামের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের পর ওই ছাত্রীকে আটকে রেখে তিনি আসর ও মাগরিবের নামাজ পড়াতে যান বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।

গতকাল রোববার উপজেলার কালিগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ওই ইমামের নাম হাসান আহমদ (২৫)। আজ সোমবার পুলিশ তাকে জকিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠায়। পরে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এর আগে কিশোরীর বাবা বাদি হয়ে শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন।

জকিগঞ্জ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্কুল ছুটির পর ওই কিশোরীকে তার রুমে নিয়ে যান বলে জিজ্ঞাসাবাদে হাসান স্বীকার করেছেন। পরে তাকে শরবতের সঙ্গে ঘুমের ট্যাবলেট মিশিয়ে খাওয়ান। এর পর মেয়েটি অচেতন হলে ধর্ষণ করে হাত, পা, মুখ বেঁধে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখেন হাসান।

এলাকাবাসী কয়েক জন জানান, ওই ছাত্রী রোববার স্কুল ছুটির পর থেকে নিখোঁজ ছিলো। এ ঘটনায় এলাকায় মাইকিং করা হয়। এ ছাড়া আশপাশের ডোবা, পুকুর ও সম্ভাব্য স্থানে খোঁজ করা হয়।  সন্ধ্যার পরে এলাকার লোকজনের সন্দেহ হলে ইমাম হাসানের কক্ষে তল্লাশী চালায়। সেখানে খাটের নিচে হাত পা ও মুখ বাঁধা অচেতন অবস্থায় স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।

এলাকাবাসী আরও জানান, হাসান ওই ছাত্রীকে আটকে রেখে আসর ও মাগরিবের নামাজের ইমামতিও করেছেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, 'ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। আমাদের পক্ষ থেকে ছাত্রীর পরিবারকে যতটুকু সহায়তা দেওয়ার প্রয়োজন আমরা দেবো।'

এ বিষয়ে জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান হওলাদার জানান, ধর্ষণের কথা হাসান স্বীকার করেছেন। আর কিশোরিটি জানিয়েছে, মসজিদের ইমাম তাকে ডেকে নিয়ে শরবত খাওয়ায়। এর পরের ঘটনা তার জানা নেই।

 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে