রাজীব মীরের মরদেহ দেশে আনার প্রস্তুতি চলছে

  জবি প্রতিবেদক

২১ জুলাই ২০১৮, ১৫:৪৫ | অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষক মীর মোশারেফ হোসেনের (রাজীব মীর) মরদেহ দেশের আনার প্রস্তুতি চলছে। রাজীর মীরের মরদেহ দেশে নিয়ে আসার বিষয়ে তার ছোট বোন সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমীন নীপা আমাদের সময়কে বলেন, ‘চেন্নাইয়ের গ্লোবাল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডেড সার্টিফিকেট দিয়েছে। এখন ভারত দূতাবাসের এসওসি’র জন্য আবেদন করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ দূতাবাসের অনুমতি লাগবে। সকল প্রক্রিয়া শেষ কাগজপত্র হাতে পাওয়ার পর আমরা প্লেনের টিকিট কাটব।'

তিনি আরও বলেন, 'আজ (শনিবার) সরাসরি দেশে কোনো ফ্লাইট নেই। আমরা চেষ্টা করব রাতে কলোম্বতে যাওয়ার একটি বিমান ধরতে। যদি বিমানটি ধরতে পারি, তাহলে সকালের মধ্যে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা যাবে।’

ফারজানা ইয়াসমীন জানান, রাজিব মীরের মরদেহ দেশে আনার পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি ভোলায় নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে তার স্কুল ও গ্রামেও জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পারিবারিক কবরস্থানে রাজীব মীরকে দাফন করা হবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা ৩৭ মিনিটে ভারতের চেন্নাইয়ের গ্লোবাল হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রাজীব মীর।  

জানা যায়, রাজীব মীর লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তিন মাস আগে চিকিৎসার জন্য তিনি ভারতের চেন্নাই যান। গত ১৭ জুলাই রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্ট্রোকে আক্রান্ত হন রাজীব মীর। এরপর লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় তাকে। স্ট্রোক করার পরপরই হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে ক্লিনিক্যালি ডেড ঘোষণা করেন। তবে পরিবারের অনুরোধে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে শুক্রবার দিনগত রাত ১টা ৩৭ মিনিটে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়।

রাজীব মীর ১৯৭৬ সালে ভোলা জেলার জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে অধ্যয়ন করেন। তার জনপ্রিয় সাহিত্যকর্মগুলো মধ্যে-'শুধু তোমার জন্য লিখি', 'জেন্ডার জার্নালিজম', 'ভোলা জেলার স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস ও সংবাদপত্রে শাহবাগ'ও অন্যতম।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে