মিরপুরের সেই বাড়িতে মেলেনি গুপ্তধন

  নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ জুলাই ২০১৮, ১৭:৪৪ | আপডেট : ২১ জুলাই ২০১৮, ২২:০৪ | অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বরের একটি বাড়িতে গুপ্তধন আছে, এই দাবির ভিত্তিতে শুরু হয় মাটি খোঁড়াখুড়ি। তবে প্রায় ছয় ঘণ্টা খননকাজ চলার পরও সেখানে কোনো গুপ্তধনের হদিশ মেলেনি।

শেষমেশ ঢাকা জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনোয়ারুজ্জামান জানান, বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে বাড়ি খননের ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর পরই বিকেল ৪টার দিকে বন্ধ করা হয় খনন।

আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিক থেকে মিরপুরের ১০ নম্বরের ওই বাড়িতে ঢাকা জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে খনন কাজ শুরু করে মিরপুর থানা পুলিশ।

সরেজমিনে দেখা যায়, গুপ্তধনের সন্ধানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনোয়ারুজ্জামানসহ মিরপুর থানা-পুলিশের উপস্থিতিতে মাটি খননকাজ শুরু করেন ২০ জন শ্রমিক। টিনশেডের ওই বাড়ির সাতটি কক্ষের মধ্যে দুটি কক্ষের প্রায় চার ফুট গভীর পর্যন্ত খনন করা হয়। কিন্তু ছয় ঘণ্টা পরও সেখান থেকে গুপ্তধন বা মূল্যবান কোনো বস্তু মেলেনি।

মিরপুর বিভাগের পুলিশ উপকমিশনার (ডিসি) বলেন, ‘১৯৭১ সালে যখন স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু হয় তখন এই বাড়িটা ছিল জল্লাদখানা। এই বাড়ির মূল যে অধিবাসী ছিলেন তিনি পাকিস্তানে চলে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তারই এক আত্মীয় এসে কিছুদিন আগে আমাদের কাছে গুপ্তধন থাকার থাকার তথ্য দেন। গুপ্তধনের বিষয়ে ওই ব্যক্তি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর এই বাড়ির বর্তমান অধিবাসীরাও মিরপুর থানায় একটা জিডি করেন।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘এই বিষয়ে আমরাও কোর্টের অনুমতি নিয়েছি যে এখানে কি আছে, তার খনন পদ্ধতিতে কি হবে। সে বিষয়ে আইনগতভাবে বিষটি মীমাংসা করা হবে। এজন্য কয়েকিদিন আগে কোর্ট একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এ খনন কাজের অনুমতি দেন।’

এরই ধারাবাহিকতায় সকালে ঢাকা জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেখানে মাটি খনন শুরু হয় বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে