৯০’র সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের বিবৃতি

নিরাপদ সড়ক, কোটা সংষ্কার আন্দোলনকারীদের মুক্তি দিন

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ আগস্ট ২০১৮, ২১:২১ | অনলাইন সংস্করণ

পুরোনো ছবি

নিরাপদ সড়ক এবং কোটা সংষ্কার দাবিতে গ্রেপ্তারকৃত আন্দোলনকারীদের মুক্তি দাবি করেছেন ৯০’এর ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতৃবৃন্দ।

আজ বুধবার ডাকসুর সাবেক সাধারণ সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করা অন্য নেতারা হলেন— আমান উল্লাহ্ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, ফজলুল হক মিলন, নাজিমউদ্দিন আলম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, লুৎফর রহমান।

বিবৃতিতে দমন-পীড়নের নীতি থেকে সরে এসে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ উপায়ে নিরাপদ সড়ক ও কোটা সংস্কারের ন্যায্য দাবি মেনে নিয়ে অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত ছাত্র, শিক্ষক, সাংবাদিক, নাট্যকর্মীসহ সকলকে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে ছাত্রসমাজ এবং দেশবাসীকে ভীতিকর শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিতে জোর দাবি জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, জোর-জবরদস্তি করে শেষ বিচারে কেউই ক্ষমতার মসনদকে রক্ষা করতে পারে না, বর্তমান শাসকগোষ্ঠীকে সেটা ভুলে গেলে চলবে না।

৯০’র এসব নেতারা বিবৃতিতে বলেন, প্রিয় সহপাঠীদের নির্মম মৃত্যুতে সড়কে জীবনের নিরাপত্তা বিধানের দাবিতে রাজধানী ঢাকায় এবং পর্যায়ক্রমে  গোটা  দেশে স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীরা রাজপথে  নেমে এসেছিল। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সংগঠিত ও পরিচালিত শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন দল-মত-শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে গোটা দেশবাসীর অকুণ্ঠ সমর্থন ও সংহতি লাভ করেছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ক্ষমতাসীন মহল বরাবরের মতো এবারও কোমলমতি শিশুদের নিরাপদ সড়কের দাবিতে গড়ে উঠা এই শান্তিপূর্ণ-সুশৃঙ্খল প্রতিবাদ ও আন্দোলনকে সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করে আন্দোলনকারীদের আস্থায় এনে বাস্তবসম্মত ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ না করে চরম আতঙ্ক ও অস্থিরতা থেকে বলপ্রয়োগের নীতি গ্রহণ করে। এরই ফলশ্রুতিতে সরকার আন্দোলন দমন করার জন্য আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ বাহিনী এবং পুলিশের ছত্রছায়ায় ছাত্রলীগ, যুবলীগ, সরকার দলীয় সশস্ত্র মাস্তানদের লেলিয়ে দিয়ে এক ভীতিকর তাণ্ডবের পরিস্থিতি তৈরি করে।

নেতারা আরও বলেন, অসংখ্য শিক্ষার্থী আহত ও নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়। পুলিশী ছত্রছায়ায় গণমাধ্যম-সংবাদ কর্মীদের ওপরও নিষ্ঠুর নির্যাতন চালানো হয়। নির্বিচারে অনেককেই গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের জামিন না দিয়ে দিনের পর দিন রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন চালানো হচ্ছে। আন্দোলনে অংশগ্রহনের অভিযোগ এনে এখনো গ্রেপ্তার অভিযান চলছে। কোথাও কোথাও পুলিশ ব্লক রেইড দিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করছে গ্রেপ্তারের নাম করে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে