পাওয়ার গ্রীড নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করনে সুপারভিশন কনসালটেন্ট নিয়োগ করেছে পিজিসিবি

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ অক্টোবর ২০১৮, ২২:২৫ | অনলাইন সংস্করণ

বিদ্যুতের জাতীয় গ্রীড শক্তিশালী করতে গৃহীত ‘পাওয়ার গ্রীড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংথেনিং প্রজেক্ট আন্ডার পিজিসিবি’ শীর্ষক প্রকল্পের জন্য সুপারভিশন কনসালটেন্ট নিয়োগ করেছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)।

আগামী চার বছরের জন্য দেশীয় প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ার্স এ- কনসালটেন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডকে (ইসিবিএল) এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নবনিযুক্ত কনসালটেন্ট প্রতিষ্ঠানটি প্রকল্পের ৪০০ কেভি ও ২৩০ কেভি গ্রিড লাইন ও উপকেন্দ্রসমূহ স্থাপন ও বাস্তবায়ন কাজে পিজিসিবিকে প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ সেবা দেবে।

আজ বুধবার পিজিসিবির প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে ইসিবিএলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। পিজিসিবির পক্ষে কোম্পানির সচিব মো. আশরাফ হোসেন এবং ইসিবএলের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী কামাল উদ্দিন ইকরাম চুক্তিপত্রে সই করেন।

এ কাজের চুক্তিমূল্য প্রায় ১৯ কোটি টাকা। চুক্তিস্বাক্ষর পর্বে পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী, নির্বাহী প্রকৌশলী (ওএ-এম) মো. এমদাদুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলী ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, মহাব্যবস্থাপক (পিএ-এ) আবুল খায়ের চৌধুরী, ইসিবিএল পরিচালক মো. রফিকুল ইসলামসহ উভয়পক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংথেনিং প্রজেক্ট আন্ডার পিজিসিবি শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৪১টি নতুন গ্রিড উপকেন্দ্র নির্মাণ, ৫৮টি বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্রের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সম্প্রসারণ এবং ৭৬৫ কিলোমিটার নতুন সঞ্চালন লাইন নির্মাণ ও ২২৫ কিলোমিটার বিদ্যমান সঞ্চালন লাইনের সংস্কার করা হবে।

আগামী ২০২১ সাল নাগাদ এ প্রকল্প শেষ হবে। এটি পিজিসিবির বাস্তবায়নাধীন সবচেয়ে বড় প্রকল্প; যার জন্য প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। চীন, বাংলাদেশ সরকার ও পিজিসিবি সম্মিলিতভাবে এ প্রকল্পে অর্থায়ণ করবে। প্রকল্পটির আওতায় নতুন নির্মিতব্য গ্রিড উপকেন্দ্রগুলোর মধ্যে- একটি ৪০০/১৩২/৩৩ কেভি গ্রীড উপকেন্দ্র, ১২টি ২৩০/১৩২ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র এবং ২৮টি ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র রয়েছে।

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন ৪০০ কেভি সক্ষমতার মোট ১০০ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন, ২৩০ কেভি সক্ষমতার মোট ৩৩০ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন এবং ১৩২ কেভি সক্ষমতার মোট ৩৩৪ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের কর্মপরিধির মধ্যে আরও রয়েছে ২৩০ কেভি সক্ষমতার মোট ২২৫ কিলোমিটার বিদ্যমান সঞ্চালন লাইনের সংস্কার এবং ৫৮টি বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্রের সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে