জিয়া চ্যারিটেবল দুর্নীতি মামলা

খালেদা জিয়ার জামিন বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ১৬ অক্টোবর

  আদালত প্রতিবেদক

১৪ অক্টোবর ২০১৮, ১৩:২৩ | অনলাইন সংস্করণ

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল করা হবে কি না এবং রায়ের দিন ধার্যের বিষয়ে আগামী ১৬ অক্টোবর আদেশ দিবেন আদালত। 

আজ রোববার এ বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য থাকলেও ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড মো. আখতারুজ্জামান তা পিছিয়ে নতুন এ তারিখ ধার্য করেন।

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচার চলার আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন মামলার আদেশের জন্য রোববার দিন ধার্য থাকায় তার পক্ষে এদিন সময় আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করে আগামী ১৬ অক্টোবর আসামির পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন, জামিন বাতিল ও রায়ের তারিখ ধার্যের বিষয়ে আদেশের জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

এর আগে বর্তমানে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা বিএনপির এই নেত্রীর অনুপস্থিতিতে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর স্থাপিত আদালত এদিন ১১টা ২০ মিনিটে শুনানি শুরু হয়। 

প্রথমে দুদকের প্রসিকিউটর মোশারফ হোসেন কাজল বলেন, ‘আজ (রোববার) আসামির পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন ও খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল ও রায়ের তারিখ ধার্যের বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য আছে। আমরা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী সার্টিফিকেটের মাধ্যমে জানতে পেরেছি খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচারের আদেশের বিরুদ্ধে একটি রিভিশন মামলার আজ হাইকোর্টে আদেশের জন্য আছে। এ অবস্থায় হাইকোর্টের আদেশে দেখার জন্য আদালত সোমবার দিন ধার্য করতে পারেন।’

এর পর আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, ‘আমরা ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) জামিন বৃদ্ধির আবেদন করেছি। আর ম্যাডামের অনুপস্থিতিতে বিচার চলার আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যে রিভিশন মামলা করেছি তার আজ (রোববার) আদেশের জন্য দিন ধার্য আছে। তাই আমরা যুক্তিসঙ্গত একটি সময় চাচ্ছি।’

অপর আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার, ‘মাননীয় আদালত, পিপি সাহেবের  (মোশারফ হোসেন কাজল) আনেক তাড়াহুড়া। তাড়াহুড়া করার কিছু নেই। আজ আদেশের জন্য আছে বলে, আজই আদেশ হয়ে যাবে তা বলা যায় না। আদেশ আজ নাও হতে পারে। তাই যুক্তিসঙ্গত সময় দিন।’ 

শুনানি শেষে বিচারক সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১৬ অক্টোবর আসামির পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন ও জামিন বাতিল এবং রায়ের তারিখ ধার্যের বিষয়ে আদেশের পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

শুনানিকালে মামলার জামিন বাতিল হয়ে কারাগারের থাকা অপর দুই আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খানকে আদালতে হাজির করা হয়।

মামলাটিতে এ আসামির পক্ষে চলতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি যুক্তি উপস্থাপন শুরু হয়। মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে ২০১৭ সালের ২১ ডিসেম্বর ওই  আদালতে লিখিত যুক্তিতর্ক দাখিল করা হয়। তবে তার পক্ষে মৌখিক যুক্তি উপস্থাপন বাকি আছে। 

এর পর গত ২০ সেপ্টেম্বর একই বিচারক বিচার বিলম্বের জন্য খালেদা জিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতে আসছেন না উল্লেখ করে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০ (এ) ধারায় তার উপস্থিতি মওকুফ করেন।
 
২০১১ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। এ মামলায় ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়। মামলাটিতে বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরীও আসামি। তিনি পলাতক রয়েছেন। 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে