আগামী সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচনের তফসিল : ইসি সচিব

  নিজস্ব প্রতিবেদক

৩১ অক্টোবর ২০১৮, ১৩:৩৬ | আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০১৮, ১৮:৪০ | অনলাইন সংস্করণ

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। এ ছাড়া আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ৮০ শতাংশ প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আজ বুধবার সকালে নির্বাচন কমিশনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে এসব তথ্য জানান হেলালুদ্দীন আহমদ।

ইসি সচিব বলেন, 'নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার পর পরই বিভিন্ন এলাকায় যেন শান্তিপূর্ণ অবস্থান থাকে সেজন্য আমরা সন্ত্রাসী, মাদক সেবনকারী ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য জননিরাপত্তা বিভাগকে নির্দেশনা প্রদান করেছি।'

ঋণখেলাপিদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন, যারা ঋণখেলাপি থাকবেন তাদের তালিকা মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগেই যেন বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ব্যাংকিং ডিভিশন কর্মকর্তারা আছেন রিটার্নিং অফিসারের নিকট পৌঁছে দেন।'

নির্বাচন কমিশনের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কার্যকম গ্রহণ বিষয়ে ২৩টি মন্ত্রণালয় এবং প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ইসি সচিব ভোট কেন্দ্রগুলোর স্থাপনা নির্মাণ, দুর্গম এলাকার কেন্দ্রগুলোতে ভোটগ্রহণসহ সে সমস্ত এলাকায় যাতায়াত এবং ভোটের সরঞ্জাম সরবরাহ নিয়ে কথা বলেন।

তিনি বলেন, 'যে তারিখে তফসিল ঘোষণা করা হবে তার ৭ দিনের মধ্যে সারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নির্বাচনী এলাকা থেকে প্রার্থীদের প্রচারণামূলক ব্যানার, পোস্টার, বিলবোর্ড অপসারণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যেন এগুলো ৭ দিনের মধ্যে রিমুভ করা হয়।’

সচিব আরও বলেন, ‘নির্বাচনের পূর্ব সময়ে নীতিমালা প্রতিপালন ও দেখভাল করার জন্য কিছু সংখ্যক এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য বিপুল পরিমাণ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রয়োজন হয়। এগুলোর তালিকা করে যাতে নিয়োগ দেওয়া হয় সে বিষয়ে আমরা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা দিয়েছি।’

আগামী ডিসেম্বরের ১০ তারিখের পূর্বেই সকল ধরনের বার্ষিক পরীক্ষা এবং নিয়োগ, ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য শিক্ষা বোর্ড, মন্ত্রণালয় এবং অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। 

হেলালুদ্দীন বলেন, 'স্কুল এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো যেহেতু ভোটের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে এবং একইসাথে শিক্ষকরা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করবেন। সেজন্য ১০ ডিসেম্বরের পূর্বেই যেন সকল স্কুলগৃহ ফ্রি করে দেওয়া হয় এজন্য আমরা তাদের সঙ্গে সেভাবে কথা বলেছি।'

জানুয়ারি মাস এবং ডিসেম্বরের শেষের দিকে প্রতিনিয়তই যেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের সংবাদগুলো পরিবেশন করা হয় সে বিষয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে ইসি সচিব আরও জানান।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে