ভোট কারচুপিতে ১২ পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে : রিজভী

  অনলাইন ডেস্ক

০৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৩:১১ | আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৭:১৩ | অনলাইন সংস্করণ

পুরোনো ছবি
ভোট কারচুপির জন্য জোন ভাগ করে ১২ পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেরনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রিজভী বলেন, ‘ভোটে কারচুপির জন্য জোন ভাগ করে পুলিশের ১২ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ঢাকা মহানগর, ঢাকা বিভাগ, ময়মনসিংহ বিভাগে এডিশনাল আইজি, ডিআইজি ও এআইজি র‌্যাংকের অফিসারদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজশাহী ও রংপুর জোনে র‌্যাবের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাসহ ডিআইজি ও এআইজি পদমর্যাদার অফিসারদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। খুলনা ও বরিশাল জোনেও একইভাবে এসবির অতিরিক্ত আইজি, ডিআইজি এবং সমন্বয়কের দায়িত্বে আছেন পুলিশ সদর দপ্তরের একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা।’

পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্তরা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট জোনগুলোর বৈঠক সম্পন্ন করে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘পুলিশের এই ১২ জন কর্মকর্তা ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রভিত্তিক আওয়ামী লীগ-বিএনপির কেন্দ্রের তালিকা, কেন্দ্রভিত্তিক হিন্দু ভোটারদের অবস্থান, কেন্দ্রভিত্তিক বিএনপি’র অবস্থান, কেন্দ্রভিত্তিক বিএনপির প্রভাবশালীদের নামের তালিকা প্রস্তুত করতে নির্দেশ দিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত ব্যালটের বাইরে অতিরিক্ত ব্যালট ছাপানো হবে; যা থানায় ভোটের আগে সংরক্ষণ করে রাখা হবে। প্রয়োজন মতো ব্যালট বাক্সে ঢোকানো হবে। প্রস্তুত করে রাখা নকল সিল প্যাড প্রিজাইডিং অফিসারদেকে সরবরাহ করবে পুলিশ।নির্বাচন কমিশনে মূল সিল প্যাড এবং স্বাক্ষর থাকবে আর বিএনপির পোলিং এজেন্টদেরকে নকল সিলপ্যাড ও স্বাক্ষরে মুল ফলাফল সম্বলিত শিট সরবরাহ করা হবে। প্রিজাইডিং অফিসারদের মূল স্বাক্ষরে ফলাফল সিটে ভোট গণনা পরির্বতন করে রিটার্নিং অফিসারকে প্রেরণ করার নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। যে এই কাজ গুলো করা হচ্ছে।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘আরও বিভিন্ন বিষষ জানা যাচ্ছে যে গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই-কে  পর্যবেক্ষকদের তালিকা প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে গোয়েন্দা সংস্থাটি ইলেকশন ওয়ার্কিং ফোরাম নামের ইসি নিবন্ধিত ২০টি সংস্থার ব্যানারে মোর্চা দখল করেছে।  এই মোর্চার অধীন ২০ হাজার দেশি নির্বাচন পর্যক্ষকের তালিকা প্রস্তুত করছে। যারা নির্বাচনের দিন আওয়ামী লীগের পক্ষে ভোট কেন্দ্রে থাকবে এই বিষয়গুলো সমন্বয় করছে সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগ মনাদের নিয়ে গঠিত আওয়ামী লীগের নির্বাচন পর্যবক্ষ সমন্বয় উপ-কমিটি।’

তিনি বলেন,  ‘আওয়ামী লীগ সারা দেশে দুই লাখ পোলিং এজেন্টেকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে। নিয়ন্ত্রিত ভোট করার বিষয়ে তাদেরকে ভোটকেন্দ্রে অবস্থানের কৌশল শেখানো হচ্ছে। আওয়ামী লীগের পরিকল্পনার বিষয়গুলো আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষকে অবহিত করছি।’

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে