প্রতারণার মামলায় পুলিশ কন্সটেবল ৫ দিনের রিমান্ডে

  আদালত প্রতিবেদক

১০ জানুয়ারি ২০১৯, ২০:১০ | অনলাইন সংস্করণ

প্রতীকী ছবি

নিজেকে পুলিশের অ্যাডিশনাল এসপি হিসেবে পরিচয় দিয়ে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করার মামলায় পুলিশ কনস্টেবল কামরুল হাসানের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া শুনানি শেষে এ রিমান্ডের  আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই’র পুলিশ পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম এ আসামির ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

শুনানিকালে এ আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এদিন এ আসামির স্ত্রী লুৎফা আক্তারের রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য থাকলেও তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির না করায় তা হয়নি। ওই আসামির রিমান্ড শুনানির দিন পিছিয়ে ১৩ জানুয়ারি ঠিক করা হয়েছে।

বিভিন্ন লোকজনকে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গত ২৮ ডিসেম্বর পিবিআই’র উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মমিনুল ইসলাম শাহবাগ থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

মামলায় কন্সটেবলের স্ত্রী লুৎফা আক্তারকেও আসামি করা হয়। মামলার আবেদনে বলা হয়, কনস্টেবল কামরুল হাসান নিজেকে পুলিশের অ্যাডিশনাল এসপি হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন লোকজনের মাঝে বিশ্বাস স্থাপন করতেন। তিনি পুলিশের সরাসরি এসআই ও সিভিল স্টাফ নিয়োগের ব্যবস্থা করে দিতে পারবেন- তার এমন কথায় বিশ্বাস করে ঢাকা এসবির এএসআই শাহ স্বপন একজন সিভিল স্টাফ ও দুই জন এসআই পদে চাকরি দেওয়ার জন্য প্রস্তাব দেয়। এতে আসামি তার কাছ থেকে কাগজপত্র চায়। পরে জাতিসংঘ মিশনে পাঠানোর ব্যবস্থা করে দেবে বলে আসামিকে তাকে আশ্বাস দেয়।

মামলার আবেদনে আরও বলা হয়, ‘আসামির কথায় বিশ্বাস করে কয়েক দফায় সে আসামিকে ২৭ লাখ টাকা দেয়। পরে জানতে পারে আসামি শুধুমাত্র একজন কন্সটেবল। পরে টাকা ফেরত চাইলে আসামি তাকে সাত লাখ টাকার চেক প্রদান করে। তদন্তকালে প্রায় ৩০ জন ভুক্তভোগী আসামির দ্বারা প্রতারণার শিকার বলে জানা গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি বিভিন্ন লোকের চাকরি দেওয়াসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রায় দুই কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে স্বীকার করেছেন। 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে