আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের ৫ মামলা

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ আগস্ট ২০১৭, ১৯:১২ | আপডেট : ১২ আগস্ট ২০১৭, ২২:০১ | অনলাইন সংস্করণ

চোরাচালানের মাধ্যমে সংগ্রহ করা প্রায় ১৫ মণ স্বর্ণ ও হীরা আটকের ঘটনায় আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে ফৌজদারী অপরাধে ৫ টি মামলা দায়ের করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। স্বর্ণ ও হীরের সামগ্রী কর নথিতে অপ্রদর্শিত ও গোপন রাখার অভিযোগে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে শনিবার রাজধানীর চারটি থানায় এসব মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে গুশলান থানায় ২টি, ধানমণ্ডি থানায় একটি, রমনা থানায় একটি ও উত্তরা থানায় একটি মামলা করা হয়।

শুল্ক গোয়েন্দার ৫ জন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা এম. আর জামান বাঁধন, বিজয় কুমার রায়, শাহরিয়ার মাহমুদ, মোহাম্মদ জাকির হোসেন এবং আরিফুল ইসলাম এই মামলাগুলোর বাদী। মামলার অভিযুক্তরা হলেন-আপন জুয়েলার্সের-দিলদার আহমেদ সেলিম, তার অপর দুই ভাই গুলজার আহমেদ এবং আজাদ আহমেদ। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনার আলোকে মামলাগুলো দায়ের করা হয় বলে শুল্ক গোয়েন্দা জানিয়েছে।

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫) এর ধারা ২ (ঠ) এবং কাস্টমস এ্যাক্ট, ১৯৬৯ এর ধারা ১৫৬(৫) অনুযায়ী শুল্ক গোয়েন্দা এই মানিলন্ডারিং মামলাগুলোর তদন্ত করবে। এর আগে আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে শুল্ক-করাদি ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণালঙ্কার মজুদ করার অভিযোগে দি কাস্টমস এ্যাক্ট, ১৯৬৯ অনুযায়ী কাস্টম হাউস ঢাকায় ৫টি কাস্টমস মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

শুল্ক গোয়েন্দা জানায়, স্বর্ণালঙ্কার মজুদ, মেরামত, তৈরি, বিক্রয়সহ বিভিন্ন পর্যায়ে সংঘটিত ভ্যাট ফাঁকি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারেটগুলো কাজ করছে। আয়কর নথিতে অপ্রদর্শিত স্বর্ণ দেখানোর কারণে সংশ্লিষ্ট আয়কর জোনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত বনানীর রেইনট্রি হোটেলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আপন জুয়েলার্সের ৫ টি শোরুম থেকে প্রায় ১৫ মণ স্বর্ণ ও হীরার অলঙ্কার উদ্ধার করে শুল্ক গোয়েন্দা। এসব অলঙ্কার বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেয়া হয়েছে।

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে