গত অর্থবছরে কমেছে বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

০৫ জুলাই ২০১৮, ১৮:১৬ | আপডেট : ০৫ জুলাই ২০১৮, ১৯:২০ | অনলাইন সংস্করণ

নেতিবাচক ধারা থেকে রেমিটেন্স প্রবাহ ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। রপ্তানী আয়ও বেড়েছে। কিন্তু বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আগের অর্থবছরের তুলনায় সামান্য কমেছে।

সদ্যসমাপ্ত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩১৭ কোটি ডলার, আগের অর্থবছরে যা ছিল ৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ডলার। এক বছরের ব্যবধানে রিজার্ভ কমেছে প্রায় ১ শতাংশ।

আজ  বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

‘সিলেক্টেড ইন্ডিকেটরস’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিদায়ী অর্থবছরের মে মাস শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ২৩৪ কোটি ডলার। অর্থবছরের শেষ দিনে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৩১৭ কোটি ডলার। এদিকে চলতি অর্থবছরের চার দিনে অর্থাৎ ৪ জুলাই রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩৪৫ কোটি ডলার।

বৈদেশিক মুদ্রার আয়ের তুলনায় ব্যয় অনেক বেশি হচ্ছে। রেমিটেন্স নেতিবাচক ধারায় ছিল। রপ্তানী আয় বাড়লেও তা খুব সামন্য হারে। অন্যদিকে আমদানি ব্যয় বেড়েছে ব্যাপকহারে। এজন্য রিজার্ভ বৃদ্ধির গতি থেমে যায়। কোনো কোনো সময় রিজার্ভ নিম্মমুখী ছিল। ৩৩ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ স্থিতিশীল রয়েছে প্রায় দুবছর ধরে।

এদিকে গত অর্থবছরে রেমিটেন্স বেড়েছে ১৭ শতাংশ। যেখানে গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রেমিটেন্স আড়াই শতাংশ কমেছিল।

গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রপ্তানী আয় বাড়ে মাত্র ১ দশমিক ৭২ শতাংশ। গত অর্থবছরের ১১ মাসের হিসাবে রপ্তানি আয় বেড়েছে সাড়ে ৬ শতাংশের বেশি। পাশাপাশি আমাদানি ব্যয়ের উর্ধ্বমূখী ধারা অব্যাহত রয়েছে।

গত অর্থবছরে ১০ মাসে ঋণপত্র (এলসি) খোলার ব্যয় বেড়েছে ৫২ শতাংশ। সামগ্রিকভাবে ব্যয় বেশি হওয়ায় রিজার্ভ বাড়েনি।  

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে