যাদের মধ্যে কৌতূহল থাকবে তারাই গবেষণা করবে: ঢাবি উপাচার্য

  ঢাবি প্রতিবেদক

০৭ ডিসেম্বর ২০১৭, ২০:৫৬ | আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭, ২১:০৭ | অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেছেন, যাদের মধ্যে সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে, কৌতূহল থাকবে তারাই গবেষণা করতে পারবে। গবেষণা খুব বেশি মানুষ করে না।

বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র্রে (টিএসসি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা সংসদের (ডিইউআরএস) এক বছর পূর্তিতে দিনব্যাপী বিভিন্ন সেশনে তিনি একথা বলেন।

সংগঠনটির সভাপতি সাইফুল্লাহ সাদেকের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একে আজাদ, সেন্টার ফর অ্যাডভান্স রিসার্চ অ্যান্ড সোসাল সায়েন্স-এর পরিচালক অধ্যাপক শেখ আব্দুস সালাম, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মনজুরুল করিম প্রমুখ।

উপাচার্য বলেন, গবেষণা ছাড়া কখনো একটি সমাজ বা দেশের প্রবৃদ্ধি হয় না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গবেষণা সংসদের মাধ্যমে যদি তাদের কর্মপ্রয়াস চালায় তবে তার মাধ্যমে সকলের মাঝে গবেষণার চেতনা নিয়ে আসতে পারবে। শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ও সার্বিক সহযোগিতা করবে।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, গবেষণা কখনো একা একা করা যায় না, সাহায্য লাগে। সামাজিক উদ্যোগটা খুব জরুরি এ বিষয়ে। বাংলাদেশ অনেক উন্নতি করেছে কিন্তু এখানে জ্ঞানের বিকাশ ঘটেনি। বর্তমান ভয়াবহ সমস্যা বেকারত্ব। জ্ঞান ছাড়া আমরা বিকশিত হতে পারব না। আমাদের মেধা পাচার হয়ে যাচ্ছে। আগেও আমাদের অনেক মেধা পাচার হয়েছে।

গবেষণার ক্ষেত্রে মাতৃভাষাকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অন্যান্য সব ক্ষেত্র থেকে পার্থক্যকরণ গবেষণার ক্ষেত্রে জরুরি। জ্ঞানগুলো নিয়ে আমরা ব্যস্ত থাকছি এবং ক্রমাগত বিচ্ছিন্ন হচ্ছি। গবেষণার মাধ্যমে এই বিচ্ছিন্নতাকে দূর করতে হবে। তিনি বলেন, তরুণরা এখন গবেষণার মাধ্যমে সৃষ্টিশীল কাজে যুক্ত হচ্ছে। এর মাধ্যমে তারা পৃথিবীকে জানবে। তারা বিশ্বাস করে পৃথিবীকে পরিবর্তন করতে হবে।

একে আজাদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা সংসদ সম্পূর্ণ একটি নতুন আইডিয়া। যতই জাঁকজমকভাবে শতবর্ষ উদযাপন করি না কেন, এটি সত্য যে আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মান ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে আমরা পিছিয়ে পড়ছি। এর কারণ গবেষণা কমে যাওয়া।

তিনি বলেন, অতীতে এমনকি বর্তমানেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী গ্রাম থেকে উঠে আসেন। অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে এসব মেধাবী ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া যেন বন্ধ না হয় সেই চেষ্টাই করছেন প্রাক্তনরা। এসময় তিনি টিএসসি’র সংস্কারেও সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে