ডাকসু নির্বাচন নিয়ে রুলের রায় কাল

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৬ জানুয়ারি ২০১৮, ২০:১৭ | অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন নিয়ে জারি করা রুলের ওপর মঙ্গলবার শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামীকাল বুধবার রায় দেবেন হাইকোর্ট।

আজ মঙ্গলবার শুনানি নিয়ে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমানের বেঞ্চ রায় ঘোষণার এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

জানা যায়, ১৯৯০ সালে সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন হয়। এরপর থেকে ডাকসু নির্বাচন না হওয়ায় প্রশাসনকে বাধ্য করতে ২০১২  সালের মার্চে এই রিট আবেদনটি করেছিলেন ঢাবির ২৫ শিক্ষার্থী। রিট আবেদনটির প্রাথমিক শুনানি নিয়ে একই বছরের এপ্রিলে রুল জারি করে হাইকোর্ট।

রুলে ডাকসু নির্বাচন করার ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। শিক্ষা সচিব,ঢাবি উপাচার্য, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার ও প্রক্টরের কাছে রুলের জবাব চাওয়া হয়েছিল। সেই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বুধবার আদালত আদেশের দিন ঠিক করেছেন।

রিটকারী পক্ষের আইনজীবীর মনজিল মোরসেদ জানান, ঢাবি আইন অনুযায়ী, প্রতিবছর ডাকসুর নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু তা হচ্ছে না। প্রায় ২৬ বছর আগে ১৯৯০ সালের ৬ জুলাই ডাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন হয়। এতে ছাত্রদল থেকে আমানউল্লাহ আমান ভিপি এবং খায়রুল কবির খোকন জিএস নির্বাচিত হয়েছিলন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ডাকসু নির্বাচনের আর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তাদের এই ব্যর্থতার কারণে হাজার হাজার শিক্ষার্থী তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার কেন্দ্র সিনেটে ছাত্রদের কোনো প্রতিনিধিত্ব থাকছে না। অথচ সিনেটে ডাকসুর পাঁচ জন প্রতিনিধি রাখার কথা আছে। আর সিনেটে ছাত্রদের প্রতিনিধি না থাকায় শিক্ষা, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তেমন উন্নতি হচ্ছে না।

রিটের বিরোধীতা করে রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, ডাকসু নির্বাচন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি খারাপ হয়। মারামারিসহ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে ১৯৯০ সালের পর থেকে এ নির্বাচন বন্ধ রয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে