ঢাবি ছাত্রলীগ নেতার চ্যালেঞ্জ

‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরিপ স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়’

  অনলাইন ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ২১:৪৩ | আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ২১:৫৩ | অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের পরিবেশ বিষয়ক উপ-সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সোহাগ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় অনেক নেতাই মাদক ব্যবসায় জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের পরিবেশ বিষয়ক উপ-সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সোহাগ।

শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন তিনি। প্রসঙ্গত, মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে সোহাগের বিরুদ্ধে। এমনকি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাতেও তার নাম রয়েছে।

সম্প্রতি ‘ছাত্রলীগ নেতাদের মাদক ব্যবসা’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল যেখানে সোহাগসহ ঢাবি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির পদধারী বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়।

তবে প্রকাশিত ওই সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এমন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন ছাত্রলেগের এই নেতা। তিনি বলেছেন, ‌‘মাদক দূরে থাক, কখনো কোনো দিন সিগারেটও হাতে নেইনি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিন বক্তব্য পাঠ করছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের পরিবেশ বিষয়ক উপ-সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সোহাগ।

মুজাহিদুল ইসলাম সোহাগ দাবি করে বলেছেন, ‌‌‘কখনো মাদক ব্যবসা কিংবা মাদকের সাথে কোনোভাবে সম্পৃক্ত ছিলাম-এমন অভিযোগ কেউ প্রমাণ করতে পারলে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবো।’

তিনি আরো বলেন, ‌‘প্রতিবেদনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের বরাত দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো পুলিশ প্রতিবেদনে মাদকদ্রব্যের সঙ্গে সম্পৃক্ততায় আমার নাম থাকে তবে আমি বলবো, সেই রিপোর্ট ভুল এবং অসম্পূর্ণ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই জরিপ কোনোভাবেই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। কারণ মাদক ব্যবসা বা এ কাজে জড়িত এমন কারো সাথে আমার দূরতম সম্পর্ক নেই। আমার স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের কোনো সহপাঠী বা বন্ধু বলতে পারবে না মাদক দূরে থাক একটি সিগারেটও হাতে নিয়েছি।’

সোহাগ দাবি করেন, ‘এটি যদি সত্যিকারের ও সঠিক কোনো অনুসন্ধান হতো, তাহলে আমার নাম এই তালিকায় থাকতো না। বরং আরো অন্যান্য নাম থেকে থাকতো যারা প্রকৃতপক্ষে এসব কাজে জড়িত। এটা আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি।’

মাদক ব্যবসায় কারা জড়িত থাকতে পারে সোহাগকে এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি অনেকের পরিচয় জানি। তাদের মধ্যে ছাত্রলীগের অনেক কেন্দ্রীয় নেতা আছেন। তবে আমি কারো নাম বলতে পারব না।’

সোহাগ বলেন, ‘প্রতিবেদন লেখার আগে একটু গভীরভাবে তদন্ত করাটা আমার প্রত্যাশা ছিল। ওই প্রতিবেদনে যাদের নাম এসেছে তাদের সাথে আমার পড়াশুনা ও রাজনীতির মধ্য দিয়ে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। তার মানে এই নয় যে তাদের কাজকর্মে আমারও সুম্পৃক্ততা আছে।’

 

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে