'জাতীয় অধ্যাপক' বিশেষ সম্মাননার জন্য ৯ নাম সুপারিশ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

০৪ জুন ২০১৮, ১৩:৪৪ | আপডেট : ০৪ জুন ২০১৮, ১৩:৫৫ | অনলাইন সংস্করণ

রাষ্ট্রীয় বিশেষ সম্মাননা 'জাতীয় অধ্যাপক'-এর জন্য বিশিষ্ট পণ্ডিত, চিন্তাবিদ ও শিক্ষকদের মধ্যে থেকে নয়জনের নাম সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। আজ সোমবার কমিশনের একজন সদস্য আমাদের সময়কে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

'জাতীয় অধ্যাপক'র জন্য মনোনীতদের মধ্যে রয়েছেন, বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবক ডা. এ কে আজাদ খান (তিনি ডায়েরিয়ার সঙ্গে রক্ত পড়া রোধের ওষুধ আবিষ্কার করেন), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. আনিসুজ্জামান, ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. কাজী দীন মোহাম্মদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।

এ ছাড়া এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী, ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরিটাস অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী, বুয়েটের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এইচ খান, বাংলাদেশের প্রথম নজরুল গবেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম এবং সমাজবিজ্ঞানী ড. অনুপম সেনের নামও সুপারিশ করা হয়েছে।

জানা গেছে, সুপারিশকৃতদের থেকে তিন/চার জনের নাম বাছাই করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই সংক্রান্ত কমিটি। এর পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে বাছাই তালিকা। সর্বশেষ রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর ঘোষণা করা হবে 'জাতীয় অধ্যাপক'র নাম।

জাতীয় অধ্যাপক নিয়োগের কমিটি পদাধিকার বলে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সভাপতি। অন্য সদস্যরা হলেন- অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। কমিটির সাচিবিক দায়িত্ব পালন করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন।

জাতীয় অধ্যাপকরা সরকারের দেওয়া নির্ধারিত হারে সম্মানী ভাতা পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মাধ্যমে তারা এ ভাতা পাবেন। তারা ইচ্ছানুযায়ী কোনো গবেষণা সংস্থা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থেকে নিজের পছন্দমতো ক্ষেত্রে গবেষণামূলক কাজ করতে পারবেন। তবে যে ক্ষেত্রে কাজ করবেন তা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে জানাতে হবে।

তারা যে শিক্ষা বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সংযুক্ত থাকবেন সেই প্রতিষ্ঠানের কাছে তাদের শিক্ষা বা গবেষণামূলক কাজের বার্ষিক প্রতিবেদন দেবেন। ওই প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানকে তাদের কাজের অগ্রগতি জানাবেন। তারা যে শিক্ষা বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত থাকবেন সেই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা বা গবেষণামূলক কাজ করার সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এ পদে থাকাকালীন তাদের যেসব বইপুস্তক ছাপানো হবে, তা থেকে পাওয়া সব সুযোগ-সুবিধা তারা নিতে পারবেন।

এ ছাড়া এ পদে থাকাকালীন তারা সরকারের অনুমতি নিয়ে বিদেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করতে পারবেন। জাতীয় অধ্যাপক পদে থাকাকালীন তারা অন্য কোনো বেতনভুক্ত চাকরি করতে পারবেন না। যদি করেনও, তবে ওই চাকরি থেকে কোনো বেতন বা আর্থিক সুবিধা নিতে পারবেন না। তারা সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত হবেন না।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে