ঢাবিতে অনুমতি ছাড়া বহিরাগতদের অবস্থান নিষেধ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ জুলাই ২০১৮, ১৪:২৬ | আপডেট : ০৯ জুলাই ২০১৮, ২০:৩৩ | অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ক্যাম্পাসে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা প্রক্টরের অনুমতি ছাড়া বহিরাগতরা অবস্থান ও ঘোরাফেরা করতে পারবেন না। একই সঙ্গে বহিরাগতরা কোনো ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা প্রক্টরের অনুমতির প্রয়োজন হবে। আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কমিটির সভার এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বহিরাগতদের অবস্থানের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিতে পারবে।

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলগুলোয় কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষাপট বিবেচনা ও সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনার জন্য ৫ জুলাই প্রভোস্ট কমিটির ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভার অন্যান্য সিদ্ধান্তের মধ্যে আছে ছাত্রত্ব নেই এমন অছাত্রকে কর্তৃপক্ষ হলে অবস্থান করতে দেবে না, কয়েক দিনের মধ্যেই অছাত্রদের হল ছাড়ার নির্দেশনা দিয়ে নোটিশ দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে হল কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিতে পারবে।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে, আবাসিক হল ও হোস্টেলগুলোতে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন, চরমপন্থি ও উগ্র ভাবাদর্শ প্রচারে ও কর্মকাণ্ডে কেউ সংশ্লিষ্ট আছে কি না, সে বিষয়ে সতর্ক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও হল প্রশাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই যাতে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সদস্য ও চরমপন্থিরা হলে প্রবেশ এবং অবস্থান করতে না পারে, সে ব্যাপারে হল প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক ও তৎপর থাকতে হবে। এ বিষয়ে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সব হলে অবস্থানরত ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হল প্রশাসন নিয়মিত মতবিনিময় সভা করবেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, শিক্ষা ও শিক্ষাবিষয়ক কর্মকাণ্ড ব্যতিত আবাসিক হল ও হোস্টেলে বসবাসরত শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ও স্বাভাবিক জীবনে বিঘ্ন ঘটায়—এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রভোস্ট কমিটির ওই সভায় সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংগঠিত কতিপয় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তদন্ত করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ–উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

পূর্ব অনুমতি নেওয়ার প্রক্রিয়া ঠিক কী রকম হবে? মৌখিকভাবে নাকি লিখিত আবেদন করে অনুমতি নিতে হবে? এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘এটা নির্ভর করে বিষয়ের ওপর। তারা চাইলে আমার প্রক্টর অফিসে আবেদন করতে পারবে। অথবা সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান বা ডিন মহোদয়ের কাছেও করতে পারবে। কেউ যদি মেডিকেল সেন্টারে যায় তবে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল টিমের কাছে করবে, ইনস্টিটিউটে গেলে সেখানে করবে।’

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে