sara

ছাত্রলীগ সভাপতির নেতৃত্বে পেটানো হলো কোটা আন্দোলনের কর্মীকে

  রাবি প্রতিনিধি

১৩ নভেম্বর ২০১৮, ১৭:৩৯ | আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২১:০১ | অনলাইন সংস্করণ

মারধরের শিকার নাফিউল ইসলাম (বাঁয়ে), ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়া।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সক্রিয় থাকায় এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পেছনে ছাত্রলীগের দলীয় টেন্টে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষার্থীকে মারধরের সময় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিতি ছিলেন।

মারধরের শিকার নাফিউল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র। মারধরকারীরা হলেন, ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিশু। এ সময় সেখানে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনুও উপস্থিত ছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়।

ভুক্তভোগী নাফিউল ইসলাম বলেন, ‘সকালে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ আমাকে ফোন দিয়ে বঙ্গবন্ধু হলের ২২০ নম্বর কক্ষে দেখা করতে বলেন। আমার ইনকোর্স পরীক্ষা থাকায় আমি তখন যেতে পারিনি। পরে পরীক্ষা শেষ হলে ইমতিয়াজ আবার আমাকে ফোন দেয়। এরপর ছাত্রলীগের টেন্টে আসতে বলেন। সেখানে ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনুসহ ১০ থেকে ১৫ জন নেতাকর্মী ছিলেন। তারা আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চেক করে আমাকে মারধর শুরু করেন।’

নাফিউল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমি কোটা সংস্কার আন্দোলনে সক্রিয় ছিলাম। আমার ব্যাচের ক্যাপ্টেন ছিলাম আমি। কোটা আন্দোলনের সময় ইমতিয়াজ আমাকে ক্লাস চালু রাখতে বলেছিল। কিন্তু আমি বিভিন্ন সময় ক্লাস বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নিয়েছিলাম। এর জেরে তারা আমাকে মারধর করেছে।’

তবে মারধরের বিষয় অস্বীকার করেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিশু।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘সম্প্রতি এ শিক্ষার্থী (নাফিউল ইসলাম) ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের সরকারবিরোধী পোস্ট শেয়ার করছিল। তাই আমরা তাকে ডেকে সাবধান করেছি। মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে