• অারও

যুক্তরাষ্ট্রে সৌদি যুবরাজ

শুধু মৃত্যুই আমাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২০ মার্চ ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ২০ মার্চ ২০১৮, ০০:৫৩ | অনলাইন সংস্করণ

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, সৌদি আরব শাসন করা থেকে শুধু মৃত্যুই তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো এই আনুষ্ঠানিক ভ্রমণ তার। স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল সিবিএসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ওসামা বিন লাদেন, ইসলামে নারী-পুরুষের মর্যাদা এবং ইয়েমেন যুদ্ধ নিয়েও কথা বলেন। আজ মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে। মোহাম্মদ বলেন, ‘আমরা কত দিন বাঁচার আশা করতে পারি? ৫০ বছর? যদি সবকিছু ঠিকঠাক যায়, তাহলে হয়তো এর থেকে বেশিদিনও বাঁচতে পারি। এমন আশা আমরা করতেই পারি।’

এ সময় সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী সাংবাদিক নোরাহ ও’ডোনেল যুবরাজকে প্রশ্ন করেন, তাহলে আপনাকে কী থামাতে পারে? উত্তরে তিনি বলেন, ‘শুধু মৃত্যু’।

সৌদি রাজপরিবারের বেশ কয়েকজন যুবরাজ-মন্ত্রী এবং ধনী ব্যবসায়ীদের আটকের বিষয়টিকে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ‘আইন বহির্ভূত’ এবং ‘আইনের শাসনের প্রতি প্রহসন’ বলে উল্লেখ করে নোরার এক প্রশ্নের জবাবে সৌদি যুবরাজ বলেন, ‘আমরা সৌদি আরবে যা করেছি তা খুবই জরুরি ছিল। সব কার্যক্রম দেশের আইন অনুযায়ীই পরিচালিত হয়েছে। এ সময় আমরা রাজ কোষাগারে ১০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি জমা করতে সক্ষম হয়েছি যা ওই দুর্নীতির মাধ্যমে তারা অর্জন করেছিল। তাই আমরা যা করেছি তা স্বাভাবিকই ছিল।’

নারীরা পুরোপুরি পুরুষের সমান : মোহাম্মদ বলেছেন, ইসলামে নারী ও পুরুষের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। নারীরা পুরোপুরি পুরুষের সমান। আমরা সবাই মানুষ এবং এখানে কোনো পার্থক্য নেই। সরকার নারীদের জন্য সমান মজুরি নিশ্চিত করতে নিয়ম জারি করার জন্য কাজ করছে।

তবে সালমানের নেতৃত্বে এসব সংস্কারের পরও দেশটির নারীরা তথাকথিত পুরুষের অভিভাবকত্বের অধীনে রয়েছেন। এই আইনে নারীদের জীবনের নিয়ন্ত্রক পুরুষ আত্মীয়রা। এর ফলে নারীরা একা বিদেশ ভ্রমণ করতে পারেন না এবং নির্দিষ্ট ধরনের মেডিক্যাল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে