গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া ৮ কিশোরের 'স্বাস্থ্য ভালো'

  অনলাইন ডেস্ক

১০ জুলাই ২০১৮, ১৪:১৭ | আপডেট : ১০ জুলাই ২০১৮, ১৪:৫০ | অনলাইন সংস্করণ

উত্তর থাইল্যান্ডের গুহায় আটকা পড়ার দুই সপ্তাহ পর উদ্ধার হওয়া আট কিশোর ফুটবলারের মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো রয়েছে। দেশটির একজন স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আজ মঙ্গলবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুই দিন ধরে গুহা থেকে বেরিয়ে আসা ফুটবলারদের এক্স-রে এবং রক্ত পরীক্ষা করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে দুজনকে ফুসফুস প্রদাহের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া এসব কিশোরদের কমপক্ষে সাত দিন হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে কয়েকজনের শরীরের তাপমাত্রা অনেক কম ছিল। তাদের মধ্যে একজনের হৃদস্পন্দন কম গিয়েছিল। তবে উদ্ধারের পর পরই হাসপাতালে নেওয়ায় শেষ পর্যন্ত কিশোররা শারীরিক সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়।

জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব যশদা চোকিডামরংসুক এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ‘আটজনের স্বাস্থ্য ভালো রয়েছে, জ্বর নেই... সবার মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো আছে।’

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেছেন, তাদের প্রথমে খাদ্য এবং শক্তি জেল দেওয়া হয়। কিন্তু এখন তাদের সহজেই হজম হয় এমন খাদ্য দেওয়া হচ্ছে। কাচের গ্লাস দিয়ে ওই শিশুদের মা-বাবা তাদের দেখেছেন বলেও জানান তারা।

কয়েকদিনের মধ্যেই ওই কিশোরদের পরীক্ষার ফলাফল হাতে আসবে। সেখানে সংক্রমণের কোনো চিহ্ন না থাকলে তাদের পরিবার কিশোরদের দেখার অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানান কর্মকর্তারা। তবে এ সময় তাদের প্রতিরক্ষামূলক পোশাক পরানো হবে এবং তারা কিশোরদের দুই মিটারের বেশি কাছাকাছি যেতে পারবে না।

দুই সপ্তাহের বেশি সময় অন্ধকারে থাকার কারণে ওই কিশোরদের সানগ্লাস পরে থাকতে হবে বলেও জানান কর্মকর্তারা।

এদিকে দলের বাকি ফুটবলারদের মঙ্গলবার গুহা থেকে বের করে আনার আশা প্রকাশ করেছেন দেশটির কর্মকর্তারা।

‘থাম লুয়াং’ নামে ওই গুহায় এখনও আরও চার কিশোর এবং তাদের ফুটবল কোচ আটকা পড়ে আছেন। তাদের উদ্ধারে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে। কিশোরদের উদ্ধারে ৯০ জনের বিশেষজ্ঞ ডুবুরি দল কাজ করছেন বলেও খবরে বলা হয়েছে।

গত ২৩ জুন থাইল্যান্ডের স্থানীয় সময় বিকেলে ১১ থেকে ১৬ বছর বয়সী ১২ ফুটবলার ও তাদের ২৫ বছর বয়সী কোচ থাইল্যান্ডের উত্তর অংশের প্রদেশ চিয়াং রাইয়ের 'থাম লুয়াং' গুহায় প্রবেশ করেন। পরে বৃষ্টির পানিতে গুহা থেকে বের হওয়ার পথ ভেসে গেলে তারা নিরাপদ স্থানের সন্ধানে গুহার আরও ভেতরের দিকে চলে যাতে বাধ্য হয়।

পরে নয়দিন পর তাদের অবস্থান শনাক্ত করে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে থাই কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে প্রথম চারজনের একটি দলকে গত রোববার এবং পরের দিন সোমবার আরও চারজনকে উদ্ধার করা হয়।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে