মা-বাবা সঙ্গে নেয়নি, অভিমানে ‘আত্মহত্যা’ শিশুর

  অনলাইন ডেস্ক

১২ জুলাই ২০১৮, ১০:৫২ | আপডেট : ১২ জুলাই ২০১৮, ১১:৪৩ | অনলাইন সংস্করণ

ছবিটি প্রতীকী

মা অসুস্থ। বাবা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে নিয়ে যাওয়ার সময় ছেলে বায়না ধরে সঙ্গে যাওয়ার। কিন্তু বাবা মা কেউ রাজি না হওয়ায় অভিমানে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেছে তাদের ৮ বছর বয়সী শিশু শুভঙ্কর মাইতি। সে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

গতকাল বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতার মহিষাদলের নৈ-গোপালপুরে। জানা গেছে, শুভঙ্করের মা অসুস্থ হওয়ায় চিকিৎসা করাতে কলকাতা নিয়ে যাচ্ছিলেন তার বাবা। বুধবার বাবা মা কলকাতা যাবে বলে তাদের সঙ্গে যেতে বায়না ধরে শুভঙ্কর। কিন্তু তাতে রাজী না হওয়ায় বাড়িতেই থেকে যায় সে।

শুভঙ্করের চাচী জানান, দুপুরের দিকে শুভঙ্করের বাবা মা হাসপাতালের জন্য বেরিয়ে গেলে অনেকটাই চুপচাপ হয়ে যায় সে। পরে তাকে গোসল করতে যেতে বলা হয়। কিছুক্ষণ বসে থাকার পর গোসলে যায় সে। কিন্তু অনেক সময় অতিবাহিত হওয়ার পর গোসলখানা থেকে বের না হওয়ায় তার মেয়ে শুভঙ্করকে ডাকতে যায়। কয়েকবার দরজা ধাক্কাধাক্কি করার পরও সে না খুললে তিনি গিয়ে দরজা ভাঙেন।

তিনি দেখতে পান, শুভঙ্কর তার গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে বাথরুমের চালে ঝুলে আছে। সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধার করে মহিষাদল গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে থানায় জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্তলে গিয়ে মরদেহ নামিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। মহিষাদল থানা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে বোঝা যাচ্ছে মা বাবার সঙ্গে কলকাতা না যেতে পেরে অভিমানেই আত্মহত্যা করেছে শুভঙ্কর। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করা হবে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে