‘প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে উতলা হবেন না’

  অনলাইন ডেস্ক

২১ জুলাই ২০১৮, ১২:৫৩ | আপডেট : ২১ জুলাই ২০১৮, ১৫:৪৮ | অনলাইন সংস্করণ

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিকে প্রশ্নের তীর ছুঁড়ে আবার তাকে ‘জাদু কি ঝাপ্পি’ দিয়েছিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। কিন্তু ধোপে টেকেনি তার এই তীক্ষ্ণ চাল। উল্টো ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কর্ণধারের বাক্যবাণে বিঁধলেন সাবেক কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়ার সুপুত্র রাহুলকে। এ সময় তাকে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে উতলা হতেও মানা করেছেন মোদি।

গতকাল শুক্রবার ভারতের লোকসভা অনাস্থা ভোট নিয়ে নিজের বক্তব্য শেষ করে নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে নানারকম বিরুপ মন্তব্য করেন। কোনো সময় বলেন, মোদিজিকে সংসদে ১৫ মিনিট তিনি ভাষণ দিতে দিলে তিনি দাঁড়াতে পারবেন না। আবার কখনও বলেছেন, তার চোখে মিথ্যে আছে, তিনি আমার চোখের দিকে তাকাতে পারবেন না। পরে নিজের বক্তব্য শেষ করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এগিয়ে যান রাহুল গান্ধী। তার সঙ্গে হাত মিলিয়ে আলিঙ্গন করেন তিনি।

একটা দলের প্রধান তার কাছে এগিয়ে গেলেও নিজ মহিমায় বসে ছিলেন নরেন্দ্র মোদি। রাহুল তার আসনে ফিরে গেলে সংসদের স্পিকার নরেন্দ্র মোদিকে তার বক্তব্য দিতে আহ্বান জানান। মোদি তার বক্তব্যে রাহুলকে উদ্দেশ্য করেই বলতে শুরু করেন, ‘সকালে ভোটাভুটি সম্পন্ন হয়নি, তখনও বিতর্কও চলছে, এমন সময় এক সদস্য (রাহুল গান্ধী) আমার কাছে দৌঁড়ে চলে এলেন। এখানে পৌঁছনোর এত উৎসাহ,ওঠো ওঠো ওঠো। এখানে না কেউ ওঠাতে পারবে, না কেউ বসাতে পারবে। এত তাড়াহুড়োর কি আছে। গণতন্ত্রে জনতার উপরে ভরসা রাখতে হয়। এটাই অহংকার। প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে উতলা হবেন না।’

কর্ণাটক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, সংসদে ১৫ মিনিট তিনি ভাষণ দিলে প্রধানমন্ত্রী দাঁড়াতে পারবেন না। সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে মোদি বলেন, ‘আমি ৪ বছর দাঁড়িয়েও আছি। কাজও করছি।’

রাহুলকে ‘অহংকারী’ উল্লেখ করে মোদি আরও বলেন, ‘একজন নিজেকেই প্রধানমন্ত্রী বলে ঘোষণা করে দিচ্ছেন। অন্যদেরও তো সেই ইচ্ছা রয়েছে। তাদের কী হবে? এনিয়ে তো বিভ্রান্তি রয়েছে। ২০১৯ সালে ক্ষমতায় আসতে দেবে না বলে হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। গণতন্ত্রে জনতা জনার্দন ভাগ্যবিধাতা। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভরসা থাকা উচিত।’

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে