নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে মুদ্রাপাচারের তিন অভিযোগ

  অনলাইন ডেস্ক

০৮ আগস্ট ২০১৮, ১২:২২ | অনলাইন সংস্করণ

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে মুদ্রাপাচারের তিনটি অভিযোগ এনেছেন দেশটির তদন্ত কর্মকর্তারা। রাষ্ট্রায়ত্ব বিনিয়োগ তহবিল ওয়ান মালয়েশিয়া ডেভেলপমেন্ট বেরহাদের (ওয়ানএমডিবি) চুরি যাওয়া অর্থের তদন্তের অংশ হিসেবে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।

আজ বুধবার কুয়ালালামপুরের হাইকোর্টে এ অভিযোগগুলো আনা হয় বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। এদিকে নিজেকে নির্দোষ দাবি করা নাজিবের জামিনও মঞ্জুর করেছে আদালত।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে,  রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে তিনটি লেনদেনের মাধ্যমে নাজিব রাজাকের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে প্রায় চার কোটি ২০ লাখ রিঙ্গিত বা এক কোটি মার্কিন ডলার স্থানান্তর করা  হয়েছে।

গত জুলাই মাসে কুয়ালালামপুরের বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার হন নাজিব রাজাক। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিশ্বাসভঙ্গেরও অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে নাজিবকে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছিল মালয়েশিয়ার আদালত।

চলতি বছরের মে মাসের নির্বাচনে সরকার বদলের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ ক্ষমতায় গিয়ে নতুন করে ওই দুর্নীতি তদন্তের নির্দেশ দেন। তবে বরাবরই কোনো ধরনের অপরাধে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন তিনি।

মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন বিভাগের কর্মকর্তারা নাজিব রাজাকের বাড়ি থেকে ৩০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দুই হাজার ৫৩৫ কোটি ৫৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকারও বেশি। জব্দকৃত সম্পদের মধ্যে রয়েছে ১২ হাজার পিস গয়না, বিভিন্ন ব্যাগে প্রায় তিন কোটি ডলারের সমমূল্যের ২৬টি দেশের মুদ্রা, ৪২৩টি ঘড়ি এবং ২৩৪ জোড়া সানগ্লাস। রয়েছে খ্যাতনামা নকশাকারদের তৈরি নানা মূল্যবান ও সৌখিন সামগ্রী।

অপরাধ প্রমাণিত হলে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিশ্বাসভঙ্গের প্রতিটি অভিযোগে সাব্কে এ মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ ২০ বছর করে সাজা হতে পারে। ১৫ বছর করে সাজা হতে পারে মুদ্রাপাচারের অভিযোগগুলোর জন্যও।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে