জাতিসংঘ অধিবেশনে তুমুল বাকবিতণ্ডায় ট্রাম্প-রুহানি

  অনলাইন ডেস্ক

২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০:১৫ | আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৬:৫৫ | অনলাইন সংস্করণ

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তুমুল বিবাদে জড়িয়ে পড়েন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। অধিবেশনে রুহানির ভাষণের আগে ট্রাম্প তার ভাষণে ইরানের নেতৃত্বকে দুর্নীতিবাজ স্বৈরশাসক হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তেহরানের নেতৃত্ব মধ্যপ্রাচ্যে বিশৃঙ্খলা, প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের বীজ বপন করছে।’ পরে অবশ্য ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করে রুহানি তার ভাষণে বলেন, ‘তেহরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের একক নিষেধাজ্ঞা আরোপ অর্থনৈতিক সন্ত্রাসের একটি ধরন।’

গতকাল মঙ্গলবার জাতিসংঘের ৭৩তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে রুহানি তেহরানের ওপর আরোপিত যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞাকে অর্থনৈতিক সন্ত্রাস আখ্যা দেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান খুব বাজে আচরণ করেছে। আমরা ইরানের সঙ্গে খুব ভালো একটি সম্পর্ক গড়ার অপেক্ষায় আছি। কিন্তু সেটি এখন হবে না।’
অপরদিকে রুহানি বলেন, ‘জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করা শক্তির পরিচয় দেয় না। বরং এটা বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্বলতার লক্ষণ। পরস্পর সম্পর্কিত ও জটিল বিশ্ব বোঝাপড়ায় এটা অক্ষমতার প্রকাশ।’

মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিতে যাওয়ার আগে এক মন্তব্যে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, ইরানিরা তাদের ‘কথার সুর না পাল্টানো’ পর্যন্ত তিনি তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন না।

কয়েক দশকের শত্রু দেশ ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গত মে থেকেই উত্তেজনা বাড়ছে। ওই সময় ট্রাম্প ছয় বিশ্বশক্তির সঙ্গে ২০১৫ সালে করা ইরানের পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসেন এবং তেহরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন।

এ বিষয়ে সোমবার রুহানি জানান, ট্রাম্প ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তিতে ফিরে না এলে তেহরান আলোচনায় যাবে না। মঙ্গলবার খামেনিসহ ইরানের শীর্ষ উপদেষ্টারাও যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

এর পরই ট্রাম্প টুইটারে একটি পোস্টে লেখেন, ‘অনুরোধ সত্ত্বেও ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে বৈঠক করার কোনো পরিকল্পনা আমার নেই। ভবিষ্যতে হয়তো কখনো হবে। আমি নিশ্চিত যে তিনি আগাগোড়াই একজন চমৎকার মানুষ।’

 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে