বয়স্করা শিশুদের দায়িত্ব নেবেন না যে কারণে

  অনলাইন ডেস্ক

০১ অক্টোবর ২০১৭, ১০:৫৬ | আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০১৭, ১৪:০৭ | অনলাইন সংস্করণ

একটা সময় ছিল যখন পরিবারের স্তম্ভ হয়ে বাবা-মায়েরা শিশুদের বড় করার পাশাপাশি পুরো সংসারের দেখভাল করতেন। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। আজকের বাবা-মায়েরা আধুনিকতার চক্করে বাচ্চাদের সময় দিতেই ভুলে গেছেন। কর্মজীবন নিয়েই কিছু বাবা-মা এতটাই ব্যস্ত থাকেন যে শিশুদের খেয়াল রাখারও সময় পান না। এক্ষেত্রে দাদু-দাদীরাই ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। এখন বেশিরভাগ পরিবারেই শিশুদের নয়নের মণি হয়ে ওঠেন তাদের দাদু বা দাদীরা। কারণ তারা প্রয়োজনের সময় বাবা-মায়েদের কাছে পান না। এ কারণেই তাদের কাছে দাদু-দাদীরা একমাত্র লাইফ লাইন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, আধুনিক বাবা-মায়েরা জানেনই না যে কিভাবে বড় করে তুলতে হয় শিশুদের। তাই তো পরিবারে দাদু-দাদীদের গুরুত্ব বেড়েছে। কিন্তু অনেক কারণে দাদু-দাদীর উচিত নয়, তাদের নাতি-নাতনিদের বড় করে তোলা। কেন?

বাবা-মায়েদের ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত

দাদু-দিদিমার কাছে বড় হয়ে উঠলে বাবা-মায়ের ভালোবাসা পাওয়ার সুযোগই পায় না বাচ্চারা। ফলে ধীরে ধীরে বাবা-মায়ের থেকে দূরে যেতে শুরু করে তাদের বাচ্চারা, যা আগামী দিনের জন্য একেবারেই ভালো নয়।

পড়াশোনার ক্ষেত্রে অসুবিধা

আধুনিক পড়াশোনার সঙ্গে দাদু-দাদীর কোন যোগ না থাকার কারণে তাদের পক্ষে বাচ্চাদের পড়ানো খুব শক্ত হয়ে যায়। যার সরাসরি প্রভাব পড়ে ছোটদের উপরেই।

বয়স বাড়ায়

বয়সের কারণে সব সময় নাতি-নাতনিদের পিছনে ছোটা দাদু-দাদীর পক্ষে সম্ভব হয় না। বিশেষত কোন ইমারজেন্সি পরিস্থিতিতে অনেক সময় বয়স্ক দাদু-দাদীর অবস্থা সামাল দিতে পারেন না।

পারিবারিক অশান্তি হতে পারে

বাচ্চাদের শাসন করার জন্য মাঝে মধ্যে দাদু-দাদীরা বকতে বা অল্প বিস্তর মারধোর করতেই পারেন। এতে খারাপ কিছু নেই। তবে তাদের এই শাসন বাবা-মায়েদের ভালো লাগতে নাও পারে। আর এমনটা হলেই দেখা দেয় পারিবারিক আশান্তি।

মানসিক সমস্যা

বয়সকালে বাচ্চাদের বড় করতে গিয়ে দাদু-দাদীদের মানসিক চাপ খুব বেড়ে যায়। আর এমনটা হলে তার প্রভাব গিয়ে পড়ে শরীরে উপর। তাই তো চিকিৎসকেরা এই বয়সে এসে অতিরিক্ত দায়িত্ব নিতে নিষেধ করেন। এসব কারণের জন্যই বাচ্চা বড় করার মতো এত বিশাল দায়িত্ব দাদু-দাদীদের নেওয়া উচিত নয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে