দাঁতে ফিলিং প্রজনন প্রক্রিয়ায়ও প্রভাব ফেলে

  অনলাইন ডেস্ক

২৬ নভেম্বর ২০১৭, ১০:৩৯ | আপডেট : ২৬ নভেম্বর ২০১৭, ১০:৪৭ | অনলাইন সংস্করণ

মিষ্টি, লজেন্স, কেক, প্যাস্ট্রি প্রভৃতি খাবারগুলো হাতের কাছে পেলেই গপাগপ সাবাড় করছেন? এর ফল কিন্তু মারাত্মক। নিয়মিত এসব খাবার খেলে এক সময় দাঁতে প্রচণ্ড ব্যথা। পরে ক্ষয়ে যেতে যেতে দাঁতে ইয়াবড় গর্ত। যন্ত্রণায় মাথার চুল ছেঁড়ার জোগাড়। তাহলে উপায়? দাঁত ফিলিং তথা গর্ত পূরণ। আর এই ফিলিং করতে গিয়েই যত সর্বনাশ। রক্তে ঢুকছে বিষাক্ত পারদ। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মস্তিষ্ক, হার্ট, কিডনি, ফুসফুস। এর ফলে শিশুরাও অটিজমে আক্রান্ত হতে পারে। এখানেই শেষ নয়, এটি শরীরের বৃদ্ধি কিংবা প্রজনন প্রক্রিয়ার ওপর কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলে।

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় এমন মারাত্মক তথ্যই উঠে এসেছে।

গবেষকরা বলেন, মানুষ যেসব ক্রনিক অসুখে ভোগে, তার মধ্যে অন্যতম দাঁতে গর্ত। আর তা থেকে মারাত্মক যন্ত্রণা। যন্ত্রণার উপশমে দাঁতে ফিলিং করাতে ছোটেন সবাই। যে অ্যামালগাম দিয়ে দাঁত ফিলিং করানো হয়, তাতে রয়েছে পারদ, রুপো, টিন এবং আরও বেশ কিছু ধাতু। তবে তাতে বেশি মাত্রায় মিথাইল পারদ খুঁজে পেয়েছেন গবেষকেরা। এতেই বাজছে বিপদঘণ্টা।

গবেষকদের দাবি, এই পারদ বেশি মাত্রায় শরীরে ঢুকলে বিপদ অনিবার্য। মারাত্মক ক্ষতি করে মস্তিষ্ক, হার্ট, কিডনি, ফুসফুসের। কমিয়ে দেয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

তবে একবার কি দুবার দাঁত ফিলিং করালে সমস্যা নেই। আটবারের বেশি ফিলিং করালে যে পরিমাণ পারদ রক্তে মেশে, তাতেই বিপদ বেড়ে যায় প্রায় ১৫০ শতাংশ। এমনটাই জানাচ্ছেন গবেষকরা।

এর বিকল্প কী?

এক্ষেত্রে গবেষকরা বলছেন, পারদহীন কম্পোজিট রেসিনস দিয়ে দাঁত ফিলিং করানো যেতে পারে। তবে বিপদ সেখানেও। এই রেসিনস থেকে খুব কম পরিমাণ বিসফেনল এ নির্গত হয়। এতে শরীরের বৃদ্ধি কিংবা প্রজনন প্রক্রিয়ার ওপর কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলে।

তাই বিপদের হাত থেকে বাঁচতে অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলার পাশাপাশি নিয়মিত দাঁতের যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা। তারা বলেছেন, শুরু থেকে দাঁতের যত্ন নিলে দাঁতের যন্ত্রণায় ভুগতে হবে না, এতে ফিলিং করাতেও হবে না। এতে সহজেই বিপদের হাত থেকেও বাঁচবেন।

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে