গর্ভাবস্থায় হাইপারটেনশন

  অধ্যাপক ডা. সালমা চৌধুরী

১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০১:১১ | অনলাইন সংস্করণ

অধিকাংশ নারীই গর্ভাবস্থায় হাইপারটেনশনে ভুগে থাকেন। গর্ভবতী হওয়ার আগে হাইপারটেনশনে ভুগে থাকেন অনেক নারী। কিন্তু দেখা গেছে, গর্ভবতী হওয়ার পর চিন্তার কারণে হাইপারটেনশন চলে আসে অনেকের শরীরে। গর্ভবতী হওয়ার ২০ সপ্তাহ আগে যদি হাইপারটেনশন ধরা পড়ে, তা হলে তাকে বলে এসেন্সিয়াল হাইপারটেনশন। কিন্তু গর্ভবতী হওয়ার পর যদি হাইপারটেনশন ধরা পড়ে, তার নাম প্রেগনেন্সি ইন্ডিউজড হাইপারটেনশন। গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন হাইপারটেনশন কমানোর ওষুধ খাওয়া মোটেও উচিত নয়।

গর্ভবতীর করণীয় : গর্ভাবস্থায় হাইপারটেনশনের সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন। আপনার যদি আগে থেকেই হাইপারটেনশন থাকে, তা হলে তাও চিকিৎসককে জানান। তিনি যদি মনে করেন, তা হলে আপনার ওষুধ বদলে দেবেন। এ ছাড়া গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন প্রতিদিন নিজের ব্লাডপ্রেসার চেকআপ করুন। ২৮ সপ্তাহ পর্যন্ত মাসে একবার করে চেকআপ করুন। এরপর ২৮ থেকে ৩৬ সপ্তাহের মধ্যে মাসে দুবার করে চেকআপ করুন। তারপর ৪০ সপ্তাহ থেকে প্রতি সপ্তাহে চেক করতে থাকুন।

হাইপারটেনশন বুঝবেন যেভাবে : গর্ভাবস্থায় হাইপারটেনশনের সমস্যা থাকলে অনেক ধরনের লক্ষণ দেখা দেয়। লক্ষণ থেকেই বোঝা যায় আপনি হাইপারটেনশনের শিকার। এ সময় পা ফুলে যাওয়া খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু যখন দেখবেন, আপনার পা ফোলা কোনোভাবেই কমছে না, চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে তখন মোটেও দেরি করা যাবে না। অনেকেই পা ফুলে যাওয়া অগ্রাহ্য করে ভাবেনÑ এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। এ ছাড়া মাথাব্যথা, অ্যাসিডিটি, হাতের করতল ফুলে যাওয়া এবং দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার সমস্যাও এ রোগের লক্ষণ।

প্রতিরোধ করবেন যেভাবে : হাইপারটেনশনের শিকার হলে লবণ খাওয়া কমিয়ে দিন। লবণ ব্লাডপ্রেসার বাড়িয়ে দেয়। এটি বেশি খেতে থাকলে হাইপারটেনশনও বেড়ে যায়। সময়মতো এ রোগের ওষুধ খেতে হবে। ব্লাডপ্রেসার চেক করে দেখতে হবে। তা হলে আর কোনো চিন্তা থাকবে না।

লেখক : গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ

অধ্যাপক, গাইনি বিভাগ

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল

চেম্বার : আল-রাজি কনসালটেশন অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার

কনকর্ড সেন্টার পয়েন্ট, ফার্মগেট, ঢাকা

০১৭১২৯৭৮১৫৯, ০১৯১২৩৬৭২৩৫

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে