জানুন, কিডনিতে পাথর জমা রোধে কী করবেন

  স্বাস্থ্য ডেস্ক

৩১ অক্টোবর ২০১৮, ১২:২৭ | আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০১৮, ১৫:০০ | অনলাইন সংস্করণ

মানব শরীরে জমে থাকা অনেক রকম বর্জ্য পরিশোধিত হয় বৃক্ক বা কিডনির মাধ্যমে। কিডনির নানা সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে সেখানে পাথর জমা। উপযুক্ত চিকিৎসা না করালে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ে। তাই শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে কিডনির যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

কয়েকটি বিশেষ দিক নির্দেশনা মানলে কিডনিতে পাথর জমা থেকে বাঁচা যায়। আমাদের সময় অনলাইন পাঠকদের জন্য কয়েকটি নিয়ম তুলে ধরা হলো, যা পালনে কিডনিতে পাথর জমা থেকে বাঁচতে পারবেন সহজেই :

১. খাবারের স্বাদের জন্য লবণ অপরিহার্য। কিন্তু কাঁচা লবণ মানব শরীরের জন্য চিন্তার কারণ। অনেকেই খাবারের সঙ্গে আলাদা করে কাঁচা লবণ খেয়ে থাকেন, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। লবণের সোডিয়াম কিডনিতে লাগলে তা সহজে দূর হয় না। আর তা জমতে জমতে পাথরে রূপ নেয়। তাই কাঁচা লবণ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

২. কিডনির কাজ হচ্ছে শরীরের বর্জ্য দূর করা। শরীরকে টক্সিনমুক্ত করা। পানির সাহাজ্যে শরীরর থেকে টক্সিন দূর করে কিডনি। পরিমিত পানি পানে কিডনি ভালো থাকে। অন্যথায়, কিডনি সঠিক ভাবে শরীরের বর্জ্য দূর করতে পারে না। আর ওই বর্জ্য কিডনিতে জমে পাথরে রূপ নেয়। তাই পরিমিত পানি পান করে কিডনিকে সুস্থ রাখুন, আপনিও সুস্থ থাকুন।

৩. প্রতিদিন অবশ্যই অন্তত ৭-৮ গ্লাস (২-৩ লিটার) পানি পান করা উচিৎ।

৪. কখনই প্রস্রাব চেপে রাখা ঠিক নয়। প্রস্রাবের লৌহ কনিকা কিডনিতে পাথর জমাতে পারে। তাই যখনই প্রস্রাব চাপবে তখনই করে ফেলুন।

৫. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ, বিশেষ করে ব্যথানাশক (পেইনকিলার) ওষুধ বা কোনো অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না।

৬. নিয়মিত ডায়বেটিস ও ব্লাড প্রেশার পরীক্ষা করান। আপনার বয়স চল্লিশ হলে এটা জরুরী। নিয়ম মেনে নিয়ন্ত্রনে রাখুন।

৭. বছরে অন্তত একবার প্রসাবের মাইক্রো-এলবুমিন পরীক্ষা করান।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে