পছন্দের ফার্নিচারও থাকুক যত্নে

  অনলাইন ডেস্ক

২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬, ১১:৪১ | আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬, ১১:৫৯ | অনলাইন সংস্করণ

একটি সুন্দর সাজানো গোছানো ঘরের স্বপ্ন কার না আছে। এক্ষেত্রে ঘর সাজানোর মূল উপকরণই হলো এর আসবাবপত্র বা ‘ফার্নিচার’। তবে ফার্নিচার দিয়ে কেবল ঘর ভর্তি করলেই চলে না। ঘর সাজাতে যে আসবাব কিনলেন তা যদি বেমানান হয় তাহলেও কিন্তু সজ্জাতে একটা অপূর্ণতা থেকে যায়। আবার প্রতি বছর নতুন আসবাব কেনার সামর্থ্য অনেকের থাকে না। তবে অল্প আসবাব দিয়েও কিন্তু ঘরটাকে মনের মত করে সাজিয়ে নেওয়া যায়। এক্ষেত্রে দরকার কেবল একটু যত্নের। বাড়ির যে কোনো আসবাবের যত্ন সঠিকভাবে নিলে দেখবেন প্রতি বছর নতুন আসবাব না কিনেও ঘরের সজ্জায় বজায় থাকবে একটা নতুন রূপ।

আসবাবের যত্ন বলতে অনেকেই নিয়মিতভাবে আসবাব পরিষ্কার করা বা এর উপরে পড়া ধুলোর আস্তরণের সাফাইটাকেই বোঝেন। কিন্তু এর বাইরেও আছে অনেক বিষয়। আগ্রহী পাঠকদের কথা মাথায় রেখে এখানে তুলে ধরা হলো আসবাবপত্রের যত্নের এমনই কিছু কৌশল-

১. বাসস্থানে আসবাবের একটি বড় শত্রু হল নানা রকম পোকামাকড়ের (যেমন কাঠকাটুনি বা ঘুণপোকা) উপদ্রব। বিশেষ করে যাদের বাড়িতে কাঠের আসবাবের পরিমাণ বেশি তাদেরকে প্রায়ই এই সমস্যায় পড়তে হয়। এক্ষেত্রে কাঠের আসবাবে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে বাঁচাতে হালকা নিমের তেল স্প্রে করতে পারেন।

২. ঘরের যে অংশটিতে রোদ পড়ে সেখানে কখনো কাঠের আসবাব রাখবেন না। এতে পলিশ এর রং হালকা হয়ে যাওয়া বা কাঠে ফাটল ধরার মতো নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কাজেই আসবাবের সামনে বা পেছনে কোনো দিকেই যেন সরাসরি রোদ এসে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন। প্রয়োজনে জানালায় ভারি পর্দা ব্যবহার করুন।

৩. ডাইনিং টেবিল কিংবা বসার ঘরের টেবিলে কখনই গরম কোন জিনিস রাখবেন না। টেবিল এর উপর কোনো ক্লথ বা কাপড় না থাকলে কমপক্ষে একটি কাগজ বা কোস্টার বিছিয়ে তার উপর গরম জিনিস রাখুন। একইভাবে পানির গ্লাস বা তরল কোনো কিছু রাখতেও একই ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করুন।

৪. কাঠের উপর প্রায়শই গোল রিং এর মতো দাগ পড়ে যায়। এক্ষেত্রে প্রথমে দাগ পড়া স্থানটি ব্লটিং পেপার দিয়ে চেপে ধরুন। তারপর ব্লটিং পেপার সরিয়ে অলিভ অয়েল বা মেয়নেজ দিয়ে দাগের উপর ঘষে শুকনো করে মুছে নিন।

৫. কাঠের আসবাবের উপর গরম কিছু রাখার কারণে রং নষ্ট হয়ে গেলে নরম কাপড়ে কর্পূর বা স্পিরিট নিয়ে নির্দিষ্ট স্থানটিতে ঘষে দাগ তুলে ফেলুন।

৬. কাঠের আসবাব বহুদিন পর পর বার্নিশ না করিয়ে বছরে কিংবা দেড় বছরে একবার করে বার্নিশ করার চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে পুরোনো বার্নিশ এর উপর নতুন প্রলেপ না দিয়ে পুরোনো বার্নিশ পুরোপুরি তুলে ফেলে বার্নিশ এর নতুন আস্তরণ দিন। এছাড়া বার্নিশ এর পরিবর্তে নানা টেক্সচার এর উড কালার ব্যবহার করেও আসবাবে নতুনত্ব আনতে পারেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে