বৃদ্ধাশ্রমে সময় কাটে শিশুদের!

  অনলাইন ডেস্ক

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১০:৪০ | আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১১:০৯ | অনলাইন সংস্করণ

বৃদ্ধাশ্রমের কথা ভাবলেই আমাদের সামনে ভেসে ওঠে একটি ভিন্ন পরিবেশ,ভিন্ন আবহের চিত্র। যেখানে জীবনের শেষ সময়টুকু কাটে কিছু হতভাগ্য মানুষের। পরিবার-পরিজনের ব্যস্ততার কারণে তাদের কাছে ঠাঁই না পাওয়ায় কিংবা দেখভালের কেউ না থাকাসহ নানাবিধ কারণে আপন গৃহছাড়া এসব মানুষের একমাত্র আবাস্থল হয়ে ওঠে এই বৃদ্ধাশ্রম। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বয়ঃজ্যেষ্ঠদের এমন আশ্রয়স্থল রয়েছে। কিন্তু লন্ডনের দক্ষিণে অবস্থিত নাইটিংগেল হাউস নামের এই বৃদ্ধাশ্রমের চিত্রটা অন্যগুলোর থেকে একটু ভিন্ন।

নাইটেঙ্গেল হাউসের কার্যকমে আপনি অনেকটা অবাকই হবেন বটে। যুক্তরাজ্যের অন্যতম এই বৃদ্ধাশ্রমটিতে প্রায় ২০০ জন স্থায়ী বাসিন্দা আছেন। যাদের সঙ্গে দুই থেকে তিন বছরের ছোট্ট শিশুরা নিত্যদিনের কাজে অংশ নেয়।

গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে নাইটিংগেল হাউস বাচ্চাদের নার্সারি শিক্ষার জন্য আশ্রমের একাংশ খুলে দেন। যুক্তরাজ্যে সর্বপ্রথম আপেলস অ্যান্ড হানি নাইটিংগেল এই সেবা চালু করে। মূলত ছোট ছোট কিছু পদক্ষেপের কারণেই এই আশ্রমটি অন্যগুলোর থেকে ভিন্ন। তাদের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর বেশ প্রভাব ফেলছে আশ্রমের বাসিন্দাদের জীবনে। এখানে বাচ্চারা বড়দের সঙ্গে নানান কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করতে পারবে। বাচ্চাদের কেউ কেউ বড়দের সঙ্গে বাগানের পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত, আবার কেউবা ব্যায়াম করছে। এ ছাড়া বৃদ্ধাদের সঙ্গে মিলে নানান পদের ডেজার্ট বানাতেও দেখা যায় তাদের।

এ আশ্রমের সবার জন্য প্রতিদিন ব্যায়াম করা বাধ্যতামূলক। তবে নিয়মিত ব্যায়ামের ক্ষেত্রে কিছু ভিন্নতা আনা হয়েছে। আজ ছিল মঙ্গলবার। সকালে হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা যাচ্ছে বৃদ্ধরা তাদের খুদে বন্ধুদের নিয়ে সারি বেঁধে একটি বড় হলরুমে জমায়েত হচ্ছেন। যেখানে একজন নির্দিষ্ট শিক্ষক দিয়ে তাদের সবাইকে শারীরিক ব্যায়াম শেখানো হবে।

আপেলস অ্যান্ড হানি নাইটিংগেলের সহপ্রতিষ্ঠাতা আলি সোমারস জানান, এখানে বাচ্চারা আশ্রমের বৃদ্ধাদের সঙ্গে প্রতিদিন খেলাধুলা করে থাকে।  

 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে