মহাস্থানগড় সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হওয়ায় পর্যটনে ইতিবাচক সাড়া মিলবে

  নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

০৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৮:৩৯ | অনলাইন সংস্করণ

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, ‘সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে বগুড়ার মহাস্থানগড় স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এর ফলে সারা বিশ্ব আমাদের এই প্রাচীন ঐতিহ্য সম্পর্কে জানবে। আমাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এর ফলে যেমন প্রসার পাবে, আবার এর মাধ্যমে পর্যটনের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক সাড়া মিলবে।’

আজ শনিবার দুপুরে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান জাদুঘর পরিদর্শনে এসে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সাংস্কৃতিক চর্চায় মনের উৎকর্ষ সাধিত হয় উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান নূর বলেন, নতুন করে জাগরণের সৃষ্টির প্রয়াসে এবং চিরদিন যাতে মানুষ সাংস্কৃতিক অঙ্গনটাকে ধরে রাখতে পারে সে লক্ষেই সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়কে বেছে নেওয়া হয়েছে।

আগামী ২১ জানুয়ারি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বগুড়ার মহাস্থানগড়কে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে উদ্বোধন করবেন। তার প্রাক-প্রস্তুতি হিসেবেই আজ সাংস্কৃতিক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর মহাস্থানগড়ের জাদুঘর পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক সচিব আখতারী মমতাজ, জেলা পরিষদের প্রশাসক ডা. মকবুল হোসেন, সাবেক মহিলা সংসদ সদস্য কামরুন্নাহার পুতুল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: আশরাফুজ্জামান, এনডিসি সঞ্জয় কুমার মোহন্ত, রাজশাহী প্রত্নত্বত্ত অধিদপ্তরের পরিচালক নাহিদ সুলতানা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রাগেবুল হাসান রিপু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজুল হক, শিবগঞ্জ পৌর মেয়র তৌহিদুর রহমান মানিক, টিএমএসএস’র নির্বাহী প্রধান ড. হোসনে আরা প্রমুখ।

পরিদর্শন শেষে জাদুঘর চত্বরে আদিবাসিদের নৃত্য অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পরে সাংস্কৃতিক মন্ত্রী মহাস্থানে প্রধানমন্ত্রীর আগমণ উপলক্ষে জাদুঘর ও তার আশপাশের এলাকাসহ রায়নগর মসলা গবেষণা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে