মরিশাসে মাকসুদুল আহসানের চিত্র প্রদর্শনী

  অনলাইন ডেস্ক

০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৩:২৯ | অনলাইন সংস্করণ

পূর্ব আফ্রিকার দেশ মরিশাসে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পী মাকসুদুল আহসানের চার দিনব্যাপী একক চিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে । গতকাল বুধবার পোর্ট লুইস পৌর কাউন্সিলে এ প্রদর্শনী উদ্বোধন করা হয়।  প্রদর্শনী ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

মরিশাসের ৫০তম স্বাধীনতা বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ হাইকমিশন দেশটির শিল্প ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, পোর্ট লুইস পৌর কাউন্সিল ও আর্তা ইন্ডিয়ানওসেনিকা-কোডেপার যৌথ উদ্যোগে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।

প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দেশটির শিল্প ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী পৃথ্বীরাজ সিং রূপণ। বিশেষ অতিথি ছিলেন পোর্ট লুইস পৌর কাউন্সিলের মেয়র ডেনিয়েল এরিক ক্লাইভ লরেন্ট। প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মন্ত্রী পৃথ্বীরাজ সিং রূপণ। প্রদর্শনীতে অন্যদের মধ্যে মরিশাসে নিয়োজিত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, দেশটির সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, শিল্পী, শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রেজিনা আহমেদ তার বক্তব্যে উপস্থিত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে উল্লেখ করেন, মরিশাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ হাইকমিশন এ চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। বাংলাদেশের শিল্প আন্দোলনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাসের ওপর আলোকপাত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সমসাময়িক শিল্প আন্দোলনের যাত্রা শুরু হয়েছে ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময়ে। যখন জয়নুল আবেদিন ও তার সমসাময়িক হাবিবুল্লাহ বাহার, শফিকুল আমিন, কামরুল হাসান, খাজা শফিক আহমেদ, সফিউদ্দিন আহমেদ, আনোয়ারুল হক ও আলী আহসান পশ্চিমবঙ্গ থেকে ঢাকায় এসে আর্ট ইনস্টিটিউশন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি সাম্প্রতিক শিল্প আন্দোলনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত শিল্পকলা একাডেমি সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের সহযোগিতায় বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতি সমুজ্জ্বলকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে।

মাকসুদুল আহসান বাংলাদেশের আশির দশকের একজন চিত্রশিল্পী। যিনি পৃথিবীর বিভিন্ন যুগের প্রতিনিধিত্বশীল বিখ্যাত নারী-পুরুষের পোর্ট্রেট আঁকতে পছন্দ করেন। তার কর্মে বাল্য বিবাহ, ধর্মীয় গোঁড়ামি, সামাজিক পশ্চাৎপদতা, কুসংস্কার, সামাজিক অবিচার, অসমতা, শোষণ ইত্যাদি চিত্রিত হয়েছে। তিনি তার কর্মে ভাব ও বর্ণের সমন্বয় ঘটানোর বিষয়ে গভীর মনোযোগী। এটি তার ১৩তম একক চিত্র প্রদর্শনী।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে