• অারও

ড্রেসিং রুমের দরজা ভেঙেছেন সাকিব?

  অনলাইন ডেস্ক

২১ মার্চ ২০১৮, ১২:০২ | আপডেট : ২১ মার্চ ২০১৮, ১৮:১৮ | অনলাইন সংস্করণ

কলম্বোর নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে উঠতে বাঁচামরার ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিলো বাংলাদেশ ও শ্রীলংকা। সেদিনের সেই উত্তেজনাকর ম্যাচে মাহমুদুল্লাহর ছক্কায় এক বল বাকি থাকতেই নাটকীয় জয় পায় বাংলাদেশ। তবে টাইগারদের বিপক্ষে হেরে কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। এর রেশ গড়ায় টাইগারদের ড্রেসিং রুম পর্যন্ত। উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ দলের ড্রেসিং রুমে ভাঙচুর করা হয়।

তখন প্রশ্ন ওঠে, এই কাঁচ ভাঙলো কারা কিংবা এর জন্য দায়ী কে? নাকি এটি শুধুই একটি দুর্ঘটনা?

শ্রীলংকার সংবাদমাধ্যম দ্য আইল্যাণ্ড এক খবরে দাবি করেছে, সাকিবই ড্রেসিং রুমের দরজা ভেঙে ফেলেছে।

খবরে আরও বলা হয়েছে, মোভেনপিক হোটেলে টাইগারদের খাবারের ব্যবস্থা করার দায়িত্বে যারা ছিলেন তারাই ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রডকে জানিয়েছেন যে, সাকিবই ওই ক্ষতি করেছে।

বাংলাদেশের অধিনায়কের এমন আচরণকে ‘অপমানজনক আচরণ’ বলেও বর্ণনা করেছে ওই পত্রিকাটি।

আজ বুধবার ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়েছে, শ্রীলংকার বিপক্ষে জয় উদযাপন করতে গিয়েই বাংলাদেশের একজন খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে ড্রেসিং রুমের দরজা ভাঙার অভিযোগ ওঠে। পরে বিষয়টি নজরে আসে ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রডেরও। তিনি সিসিটিভি ফুটেজ দেখেছেন।  একই সঙ্গে সেখানে দায়িত্বে থাকা স্টাফদের সঙ্গেও কথা বলেন।

স্টাফরা তখন ব্রডকে জানায়, ড্রেসিং রুমের দরজা সাকিবই ভেঙেছেন।

তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের অধিনায়ক জোরে জোরে ধাক্কা দেওয়ার কারণে দরজাটি ভেঙে গেছে।

এর আগে ব্রড বলেছিলেন, জয়ের পর আনন্দ করতে গিয়েই কোনো এক সময় কাঁচ ভেঙে যায়। এটা ইচ্ছাকৃত বা পরিকল্পিত কোনো ঘটনা না, নিছক একটা দুর্ঘটনা।

তবে তখন কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে আরও ফুটেজ সরবরাহের জন্য কর্তৃপক্ষকে বলেছিলেন ব্রড।

বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার মধ্যে বাঁচামরার লড়াইয়ের শেষটা ব্যক্তিগত পর্যায়ে মোড় নেয়। শেষ মূহুর্তে দুদলের খেলোয়াড়দের মধ্যে কিছু উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। পরে এ ধরণের আচরণের দায়ে সাকিব আল হাসান ও নুরুল হাসানকে জরিমানা হিসেবে ম্যাচ ফি’র ২৫ শতাংশ কেটে নেওয়া হয় এবং তাদের ১ ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়।

ঘটনাটি ঘটে বাংলাদেশের ইনিংসের শেষ ওভারে। ভারতের সঙ্গে ফাইনালে লড়তে বাংলাদেশের প্রয়োজন ১২ রান। এমনই উত্তেজনাপূর্ণ সময়ে অজন্তা মেন্ডিস পর পর দুটি ওভার বাউন্স দেন। নিয়মানুযায়ী এটি নো বল হলেও কোনো সংকেত মেলেনি অ্যাম্পায়ারের কাছ থেকে। ক্রিজে থাকা মাহমুদউল্লাহ অ্যাম্পারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। ফল মেলেনি তাতেও।

এ সময় মাঠে ব্যাটসম্যানদের কাছে যান নুরুল। এক পর্যায়ে নুরুল ও থিসারা পেরেরা মধ্যে কথা কাটাকাটি হতে দেখা যায়। থিসারার দিকে আঙ্গুল তুলেও কথা বলেন তিনি। পরে অ্যাম্পায়ারদের হস্তক্ষেপে মাঠ থেকে বের হয়ে আসেন নুরুল।

এ সময়ই রিজার্ভ অ্যাম্পায়ারের কাছে ছুটে যান সাকিব। সেখানে গিয়ে অ্যাম্পায়ারের কাঁধে হাত রেখে নো বলের বিষয়ে কথা বলেন তিনি। মাঠে থাকা মাহমুদউল্লাহ ও রুবেলকে বেরিয়ে আসার ইঙ্গিতও দেন সাকিব। তবে মাঠ ছাড়তে বলার কথা পরে অস্বীকার করেন তিনি। পরে মাহমুদুল্লাহর ছক্কায় ম্যাচটি জিতে নেয় বাংলাদেশ।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে