sara

তাইজুলের রেকর্ডের দিনে এগিয়ে বাংলাদেশ

  ক্রীড়া প্রতিবেদক

১৩ নভেম্বর ২০১৮, ১৭:১২ | আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ১৯:৩৯ | অনলাইন সংস্করণ

তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে তাইজুল ইসলাম টেস্টে তিন ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েছেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তিনি এ রেকর্ড গড়েন।  এর আগে এ কৃতিত্ব অর্জন করেন সাকিব আল হাসান ও এনামুল হক। তাইজুলের বিধ্বংসী বোলিংয়ে তৃতীয় দিন শেষে জিম্বাবুয়ে এখনো পিছিয়ে আছে ২১৮ রানে। ফলোঅন এড়াতে সফরকারীদের আরো প্রয়োজন ১৮ রান। হাতে আছে শুধু একটি উইকেট।

জিম্বাবুয়ে হাতে ৯ উইকেট এবং ২৫ রান নিয়ে তৃতীয় দিন ব্যাট করতে নেমেছিল। রোববার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টায় ম্যাচটি শুরু হয়। টাইগাররা প্রথম ইনিংসে ৫২২ রান করে ইনিংস ঘোষণা করেন। তৃতীয় দিন শেষে জিম্বাবুয়ে সংগ্রহ করে সবকটি উইকেট হারিয়ে ((ইনজুরির কারণে নামতে পারেননি চাতারা) ৩০৪ রান। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল নেন সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেট। এ ছাড়া মেহেদী মিরাজ তিন ও আরিফুল হক নেন একটি উইকেট।

তাইজুলের ভেলকিতে জিম্বাবুয়ের প্রথম ইনিংসের ব্যাটিং লাইনাপে ধস নেমেছিল। কিন্তু ব্রেন্ডন টেইলর-পিটার মুরের দারুণ জুটিতে ঘুরেও দাঁড়িয়েছিল। মোস্তাফিজ-খালেদ কিংবা তাইজুল-মিরাজ যখন জুটি ভাঙ্গতে ব্যর্থ তখন বল হাতে ত্রাতা হয়ে এসেছেন আরিফুল হক। পিটার মুরকে ফিরিয়ে মিরপুরে স্বস্তি এনে দেন। ৬ষ্ঠ উইকেটে ১৩৯ রানের জুটি ভাঙ্গে পিটার মুরের (৮৩) আউট হওয়ার মাধ্যমে। মুরের পর ফিরে যান টেইলরও। তার ব্যাট থেকে আসে ১১০ রান। ইলর-মুর ফিরে গেলে দ্রুত মাভুটা-চাকাবার উইকেট হারিয়ে ফেলে জিম্বাবুয়ে।

তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে তিন উইকেট নিয়ে লাঞ্চে যান টাইগাররা। লাঞ্চ থেকে ফিরে তাইজুল বোল্ড করে সাজঘরে পাঠান সিকান্দার রাজা ও ভয়ংকর হতে থাকা শেন উইলিয়ামসকে। সিকান্দার রাজা বিনা রানে ফিরে গেলেও উইলিয়ামসের ব্যাট থেকে আসে ১১ রান। তাইজুল নাইটওয়াচম্যান ডোনাল্ড টিরিপানোকে ফিরিয়ে উইকেটের সূচনা করেন। এরপর মিরাজ ফিরান ক্রিজে থিতু হওয়া ব্রিয়ান চারিকে। টিরিপানো ৪৬ বলে ৮ রান করেন। ব্রিয়ান চারির ব্যাট থেকে ১২৮ বলে ৫৩ রান। গতকাল দ্বিতীয় দিনের  শেষ মুহূর্তে মাসাকদজাকে ১৪ রানে ফিরতে বাধ্য করেন তাইজুল।

প্রথম ইনিংসে মুশফিক-মিরাজ অপরাজিত ছিলেন। ক্যারিয়ার সেরা ২১৯ রান করে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে দুই ডাবল সেঞ্চুরির মালিক হন। ৪২১ বল খরচ করে ১৮টি চার ও ১টি ছক্কার মারে তিনি রান করেন। মিরাজ ১০২ বলে ৬৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। মুমিনুল হক খেলেন ১৬১ রানের ঝকঝকে ইনিংস। মাহমুদুল্লাহ ৩৬ রান করে ফিরে যান সাজঘরে।  মুশফিক-মুমিনুলের অসাধারণ পারফরম্যান্সে টাইগাররা প্রথম ইনিংসে বড় স্কোর গড়ে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে