ফেরাটা স্মরণীয় করতে চায় সৌদি

  লুজনিকি স্টেডিয়াম থেকে প্রতিনিধি

১৪ জুন ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১৪ জুন ২০১৮, ০০:২৪ | অনলাইন সংস্করণ

২০০৬ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত বিশ্বকাপে ছিল না সৌদি আরব। তবে রাশিয়া বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েছে এশিয়ার দেশটি। দীর্ঘদিন পর বিশ্বকাপের ভেন্যুতে ফেরায় জ্বলে ওঠার প্রত্যয় তাদের মনে রয়েছে। রাশিয়া গত বিশ্বকাপেও খেলেছে। তাই তাদের প্রত্যাশা আর সৌদির প্রত্যাশা এক হবে না। সৌদি আরব গতকাল আশা ব্যক্ত করেছে ভালো খেলার। স্বাগতিক হিসেবে রাশিয়া অনেক এগিয়ে। তাই বলে তারা ছেড়ে দেবে না। রাশিয়াকে ফল পেতে হলে প্রবল যুদ্ধ করেই নিতে হবে। এ জন্য উল্টো রাশিয়াকে ভয় পেতে হবে বলে মনে করেন এশিয়ার দেশটি।

সৌদি আরবের কোচ জুয়ান অ্যান্টোনিও পিজ্জি বেশ কৌশলী লোক। তিনি রাশিয়াকে রাশিয়ার চেয়ে বেশি জানেন। এর কারণ অবশ্য আছে। পিজ্জি প্রতিপক্ষ দলের খুঁটিনাটি নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসেন। ২০১৬ সালে তার অধীনে চিলি কোপা আমেরিকা জয় করেছিল। সৌদিকে তিনি বিশ্বকাপের মূল পর্বে নিয়ে এসেছেন। এবার বিশ্বকাপে সফলতা পাইয়ে দিতে হবে। পরশু ট্রেনিংক্যাম্পে বলেছেন, দেখুন রাশিয়া বিশ্বকাপে স্বাগতিক। আপনাকে অবশ্যই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। স্বাগতিকদের অন্যরকম শক্তি থাকে। আর সেই শক্তি এড়ানোর কোনো পথ নেই। বিশ্বকাপেও তারা রক্ষণভাগ আগলে খেলবে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কোনো পথ আমার জানা নেই। রাশিয়া শক্তিশালী। অনেককেই বলতে শুনেছিÑ রাশিয়া সম্প্রতি ভালো খেলছে না; কিন্তু এটা তো বিশ্বকাপের ম্যাচ। এখানে লড়াইটাই অন্যরকম। আপনি কোনোভাবেই রাশিয়াকে পিছিয়ে পড়া দল বলতে পারেন না।’

পিজ্জির কথায় যুক্তি রয়েছে, তবে রাশিয়াও ভয়ে আছে এই ম্যাচ নিয়ে। রাশিয়ার মানুষ বেশ চটে আছে কোচের ওপর। রাশিয়া তাই মরিয়া হয়ে রয়েছে। এই বিশ্বকাপে দুরন্ত পারফরম্যান্স না দেখাতে পারলে তো হবে না। সৌদির ফুটবলকর্তারা কোনো এক সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, ‘সৌদি পরের পর্বে যেতে যে কোনো কিছু করবে। এত বছর পর বিশ্বকাপে এসেছি আমরা।’ পিজ্জি এই চাপটা ভালো করেই জানেন। পরের পর্বে যাওয়া তো ছেলের হাতের মোয়া নয়। এই ‘এ’ গ্রুপে মিসর আর উরুগুয়ে রয়েছে। সৌদি আর রাশিয়ার জন্য পরের পর্বে যেতে কাঠখড় পোড়াতে হবে। কারণ ওই দুই দলে হালের সেরা তারকা মোহামেদ সালাহ ও লুইস সুয়ারেজ রয়েছেন।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে