x

সদ্যপ্রাপ্ত

  •  বিপিএল এর পঞ্চম আসরের শিরোপা জিতল রংপুর রাইডার্স। মাশরাফির হাতে চতুর্থ ট্রফি

‘৬০ লাখ গ্রাহক ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করেন’

  উজ্জ্বল এ গমেজ

০৬ ডিসেম্বর ২০১৭, ১৫:৫২ | অনলাইন সংস্করণ

দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডা অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করে আসছে। ইন্টারনেট ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্ভাবনা, সমস্যা নিয়ে প্রযুক্তিসময়ের সঙ্গে খোলামেলা আলাপ করেছেন আইএসপিএবির সভাপতি এমএ হাকিম। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন- উজ্জ্বল এ গমেজ

ব্রডব্যান্ড সেবাকে ঢাকার বাইরে নেওয়ার পরিকল্পনা সম্পর্কে বলুন।
এমএ হাকিম : ব্যবসায়ীরা ব্যবসার পরিধি সম্প্রসারণ করতে চাইবেনই, সেটাই স্বাভাবিক। আমরা কোটি কোটি টাকা ইনভেস্ট করছি। যদি ঢাকার বাইরে ব্যবসা থাকে তা হলে আমরা সেখানে অবশ্যই পৌঁছাতে চেষ্টা করব। ইন্টারনেট সম্প্রসারণে সরকার আন্তরিক। তবে স্থানীয় পর্যায়ে যদি আইএসপি ব্যবসায়ীদের প্রাথমিক এবং নিশ্চিত ক্রেতা হয় ‘সরকার’, কেবল তা হলেই ঢাকার বাইরে আমাদের সেবা সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে।

দেশিয় জিডিপিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ভ‚মিকা সম্পর্কে বলুন।
এমএ হাকিম : সরকারি ঘোষণা মতে, বর্তমানে প্রায় সাড়ে ছয় কোটি গ্রাহকের মধ্যে ৬ কোটি মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক এবং ৬০ লাখের মতো গ্রাহক ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। গত জুলাই পর্যন্ত হিসাব বিবেচনায় নিলে, আমাদের দেশের প্রতিদিনের ডাটা স্পিট হচ্ছে ৪২৬ জিবিপিএস। ৪২৬ জিবিপিএসের মধ্যে মাত্র ১৫০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ টেলিকম অপারেটররা ব্যবহার করে এবং বাকিটা আইসএসপিরা।

মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহকদের ব্যবহৃত ১৫০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথের প্রায় ৮০ শতাংশ ব্যবহার হয় ফেসবুক, অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন এবং ইউটিউব ব্রাউজিংয়ে। অর্থনীতি ও উন্নয়নের দৃষ্টিকোণ থেকে এই ৮০ শতাংশ হচ্ছে নন-প্রডাক্টিভ ইউজার। অন্যদিকে ব্রডব্যান্ড গ্রাহকদের ৩৬০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথের প্রায় পুরোটাই ব্যবহার হয় প্রডাক্টিভ কাজে। বেশ কয়েকটি গ্রহণযোগ্য আন্তর্জাতিক গবেষণার ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, একটি উন্নয়নশীল দেশে প্রতি ১০ শতাংশ ব্রডব্যান্ড পেনিট্রেশন বাড়লে জিডিপি’৫র ১.৩৭ প্রবৃদ্ধি হয়। সুতরাং অর্থনৈতিক উন্নয়ন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধির আলোকে চিন্তা করলে এই ৬০ লাখ গ্রাহকের ভ‚মিকাকেই কেবল বিবেচনায় নিতে হবে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্ভাবনা কেমন দেখছেন?
এমএ হাকিম : ডিজিটাল বাংলাদেশের বাস্তবতায় আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্ভাবনা অনেক বেশি। কিন্তু এই সম্ভাবনা এবং বিকাশের অনুক‚ল পরিবেশকে কতটা কাজে লাগাতে পারি, তার ওপর নির্ভর করছে এর ভবিষ্যৎ। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব। আমরা চাই ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের খরচ কমানো এবং এনটিটিএন প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো, যাতে করে তারা যথেচ্ছ মূল্য নির্ধারণে সক্ষম না হয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে