• অারও

আকাশগঙ্গার কেন্দ্রে এক ডজন মস্তভারী কৃষ্ণবিবর

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০১৮, ০২:১৪ | অনলাইন সংস্করণ

আকাশগঙ্গা ছায়াপথের কেন্দ্রে এক ডজন মস্তভারী কৃষ্ণবিবরের সন্ধান পেয়েছেন একদল বিজ্ঞানী। পাশাপাশি তারা বলছেন, সেখানে তুলনামূলক কম ভরের হাজার দশেক কৃষ্ণবিবর রয়েছে। নেচার সাময়িকীর ৫ এপ্রিল সংখ্যায় চিঠিপত্র বিভাগে নিজেদের গবেষণার সারকথা তুলে ধরেছেন ওই বিজ্ঞানীরা।

পৃথিবী যে ছায়াপথে (গ্যালাক্সি) রয়েছে, তাকে বলা হয়Ñ আকাশগঙ্গা (মিল্কিওয়ে)। পৃথিবী থেকে ২৫ হাজার ৬৪০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এ কেন্দ্র। বেশ কয়েক দশক থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল, সেখানে ভারী ভারী কৃষ্ণবিবর (ব্ল্যাকহোল) রয়েছে। পাশাপাশি এও বলা হচ্ছিল, ওদের চারপাশে রয়েছে ছোট ছোট অনেক কৃষ্ণবিবরও। কিন্তু এতদিন এমন অনুমানের বিপরীতে শক্ত কোনো সাক্ষ্য মেলেনি।

এখন মার্কিন বিজ্ঞানী চার্লস হেইলি ও তার সতীর্থ গবেষকরা বলছেন, তারা আকাশগঙ্গার স্যাজিটারিয়াস এ* অঞ্চলে ১২টি মহাভারী কৃষ্ণগহ্বরের দেখা পেয়েছেন। নাসার চন্দ্র এক্স-রে টেলিস্কোপের ধারণ করা তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা এমন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। হেইলি নিউইয়র্কের ইউনিভার্সিটি অব কলাম্বিয়ার অধ্যাপক।

কৃষ্ণগহ্বর হলো মহাশূন্যের সেই অঞ্চল, যার মহাকর্ষীয় টান এত বেশি যে, এমনকি আলোও সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না। আলোর গতিই বিশ্বে পরম, সেকেন্ডে ৩০ কোটি মিটার। এই গতিতে ১ সেকেন্ডে পৃথিবীতে সাত পাক দিতে পারে আলো। এভাবে আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোকবর্ষ বলে।

অধ্যাপক হেইলি বলেছেন, ‘আকাশগঙ্গার কেন্দ্র পৃথিবী থেকে এত দূরে রয়েছে যে, সেখানকার শক্তিশালী ও সবচেয়ে উজ্জ্বল আলোকচ্ছটার দেখা পেতে ১০০ থেকে এক হাজার বছর লেগে যেতে পারে।’ এ কারণে তারা দুর্বল কিন্তু দৃঢ় এক্স-রে পর্যবেক্ষণের পরিকল্পনা করেন। এবং পর্যবেক্ষণে স্যাজিটারিয়াস এ*-র তিন আলোকবর্ষের মধ্যে ১২টি ভারী কৃষ্ণগহ্বরের অস্তিত্বের সন্ধান পান।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে