ব্যবহারকারীদের কাছে নগ্ন ছবি চাইছে ফেসবুক!

  অনলাইন ডেস্ক

২৪ মে ২০১৮, ১৫:১৮ | আপডেট : ২৪ মে ২০১৮, ১৫:৩৮ | অনলাইন সংস্করণ

নিরাপত্তা রক্ষার্থে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ফেসবুক তার ব্রিটিশ ব্যবহাকারীদের কাছে ব্যক্তিগত নগ্ন ছবি পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে।এতে প্রতিশোধমূলক ভাবে একজন আরেকজনের নগ্ন ছবি পোস্ট করার ঘটনা রুখে দিতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়,কারো নগ্ন ছবি অন্য কোনও ব্যক্তি ফেসবুকে শেয়ার করে দেওয়ার আশঙ্কা থাকলে সেক্ষেত্রে এটি কাজ করবে। কেননা অনলাইনে ওই ছবি প্রকাশিত হওয়ার আগেই তা ব্লক করে দেবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

একই প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শিশুদের হয়রানিমূলক ছবি ছড়িয়ে পড়া ঠেকানোর চেষ্টা চলছে। এর আগে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ অস্ট্রেলিয়াতে এই প্রক্রিয়াটি পরীক্ষা করেছে। এখন তারা যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডাতে এই পরীক্ষা শুরু করতে যাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়।
 

প্রক্রিয়াটি যেভাবে কাজ করবে-

যদি কোনো ব্যবহারকারী তার কোন ব্যক্তিগত ছবি নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন, তাহলে তাকে ফেসবুকের যে সহযোগী প্রতিষ্ঠান আছে বিচারের জন্য তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। ব্রিটেনে যেমন রিভেঞ্জ পর্ণ হেল্প-লাইনে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা যাবে।

তখন সেখানকার কর্মীরা ফেসবুকের সঙ্গে যোগাযোগ করবে এবং ব্যবহারকারীকে একটি লিঙ্ক পাঠানো হবে সেখানে তার ছবি আপলোডের জন্য।

কিন্তু এই নগ্ন ছবি কারা দেখতে পাবে?

ফেসবুকের নিরাপত্তা বিষয়ক বৈশ্বিক প্রধান অ্যান্টিগন ডেভিস জানান, এই ছবি দেখতে পাবে কেবলমাত্র পাঁচজন প্রশিক্ষিত পর্যবেক্ষক নিয়ে গড়া ক্ষুদ্র একটি দল।
তারা ছবিটিতে ডিজিটাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংযোজন করবে। এরপর সেই কোডটি ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হবে।

অন্য কোন ব্যক্তি যদি সেই একই ছবি কোনোভাবে আপলোড করার চেষ্টা করে কোডটি তখন শনাক্ত করবে এবং সেটা ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও মেসেঞ্জারে প্রকাশ হওয়ার আগেই আটকে দেবে।

সত্যিই কি এই পদ্ধতি কার্যকর হবে?

ফেসবুকের অ্যান্টিগন ডেভিস স্বীকার করেন যে, ‘যখন ফটো-ম্যাচিং প্রযুক্তির বিষয় জড়িত তখন ১০০% নিশ্চয়তা দেওয়া যাবে না। কারণ ছবিকে বিকৃত করা সম্ভব তাই মূল ছবি থেকে সেগুলো আলাদা হতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি কারও সাবেক প্রেমিক/প্রেমিকা ফোনে ছবি তুলে থাকেন এবং সেগুলো যদি তার কাছে না থাকে তাহলে এই প্রক্রিয়া তাকে কোনও কাজে দেবে না।
২০১৫ সালে চালুকৃত ব্রিটেনের রিভেঞ্জ পর্ণ হেল্প-লাইনের প্রথম বছরেই পাঁচশোর বেশি রিপোর্ট পায় কর্তৃপক্ষ। গতবছর এর পরিমাণ ছিলো এক হাজারের বেশি।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে