sara

স্যাটেলাইটের ছবিতে কী? কৃমি, নাকি…(ভিডিও)

  অনলাইন ডেস্ক

১৪ অক্টোবর ২০১৮, ১১:৩৮ | অনলাইন সংস্করণ

২০০৬ থেকে মার্কিন স্যাটেলাইটের ছবিতে পাওয়া একটি কৃমি নিয়ে কৌতুহলী ছিলেন একদল গবেষক। স্যাটেলাইট কুইকবার্ড টু এমন একটি ছবি পাঠিয়েছিল, যেখানে দেখা যাচ্ছিল-বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে বিরাট কৃমি পড়ে আছে। এক যুগ পরে সেই রহস্যের সমাধান হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘মিরর’ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০০৬ সালে সেপ্টেম্বরে কুইকবার্ড টু কানাডার একটি অরণ্যের কিছু ছবি তোলে। সেই ছবিগুলোর একটিতে দেখা যায়-অরণ্যের ভিতরে একটি বিশাল কৃমি পড়ে আছে।

ছবিটি দেখার পর থেকেই বিশেষজ্ঞরা বিষয়টি নিয়ে মাথা ঘামাতে শুরু করেন। তবে পেঁচিয়ে-গুচিয়ে পড়ে থাকা প্রাণীটি যে কৃমি তা বলার আগে পাওয়া ছবিটি ভালো করে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা।

জীববিজ্ঞানী রব নেলসন জানান,পেঁচিয়ে-গুচিয়ে পড়ে থাকা প্রাণীটির চেহারা একেবারেই কৃমির মতো।কিন্তু এর কোথায় শুরু,কোথায় শেষ,তা বোঝা যাচ্ছে না। তেমনই বোঝা যাচ্ছে না, কুণ্ডলী পাকানো এই বস্তুটি ঠিক কতটা দীর্ঘ।

সামরিক ইতিহাসবিদ অ্যান্ড্রু রবার্টশও ছবিটি পাওয়ার পর কয়েকবার গবেষণা করেছেন। কিন্তু কোনো সমাধান পাননি তিনি।

তবে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন,এই কৃমির কুণ্ডলীর মাঝে এমন কিছু রয়েছে যা মানুষ-নির্মিত।

এই সূত্র ধরেই রহস্য সমাধানে কানাডার ওই অরণ্যে অভিযান চালান গবেষকরা। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে যখন তারা পৌঁছান, তখন তাদের ‘চক্ষু চড়ক গাছ’। তারা যেটিকে বিশাল কৃমি ভাবছিলেন, তা আদতে কৃমি তো নয়ই, কোনো জীবাশ্মও নয়। পেঁচিয়ে-গুচিয়ে পড়ে থাকা বস্তুটি আসলে ছোট-বড় পাথরের সমষ্টি।

স্যাটেলাইট থেকে দেখতে পাওয়ায় বস্তুটিতে কৃমির মতো মনে হচ্ছিল।তবে কোনো এক সময়ে মানুষ সোনার সন্ধানে ওখানে খোঁড়াখুড়ি করেছিল।সোনা সংগ্রহের পরে বাড়তি পাথর ফেলে রেখে তারা চলে যায়। অসংখ্য ছোট-বড় নুড়ি পড়ে থাকে বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে।

পড়ে থাকা সেসব পাথরকেই মহাকাশ থেকে বৃহৎ কৃমি বলে মনে হয়েছে।

আর বিরাট ড্রেজিং মেশিন দিয়ে লাইন ধরে গোল গোল পেঁচিয়ে খোঁড়াখুঁড়ির কারণে উপর থেকে দেথে মনে হচ্ছির বিশাল কোনো কৃমি।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে