শুভ নববর্ষ

নতুন সম্ভাবনায় শুরু হোক ১৪২৫

  সম্পাদকীয়

১৪ এপ্রিল ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০১৮, ০১:১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ

অতীতের খাতায় নাম লিখল আরেকটি বছর। বিদায়ী বছরের অপূর্ণতা দূর করার আশা ও প্রত্যয় নিয়ে আসে নতুন বছর। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটি উপলক্ষে দেশজুড়ে চলবে নানা উৎসব-আয়োজন। ভোরবেলায় রাজধানীতে রমনার বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠানও আমাদের ঐতিহ্য হয়ে উঠেছে। ছায়ানট ছাড়াও বর্তমানে নানা সংগঠনের উদ্যোগে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বর্ষবরণের উৎসব-আয়োজন করা হয়ে থাকে। আর রাজধানীর মতো সারাদেশের সব শহরে-গঞ্জেও একইভাবে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত হয় আজকাল।

মূলত বাংলা সনের প্রবর্তন হয় খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে। কৃষিভিত্তিক এই বর্ষপঞ্জির প্রথম দিনটিকে উৎসবের আমেজে বরণের প্রথা একসময় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। সময়ের আবর্তনে সে আমেজ এখন সর্বত্র। গ্রামের চেয়ে শহরেই যেন তা বেশি। নববর্ষে দোকানে দোকানে হালখাতা খোলার রীতি আজও প্রচলিত। বৈশাখী মেলাকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ অর্থনীতিতে এখনো এক ধরনের প্রাণসঞ্চার হয় প্রতিবছর। আজকাল এ বাণিজ্যের প্রসার হচ্ছে, বিশেষত বাহারি পোশাক ও রকমারি খাবারের খাতে।

পহেলা বৈশাখের একটি অন্যতম অর্জন হচ্ছেÑ এটি এখন ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উৎসব।

আমাদের সব প্রত্যাশা মূলত একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, লাল-সবুজের পতাকা ঘিরেই। তাই এক সাগর রক্তের বিনিময়ে আমরা যে স্বাধীনতা পেয়েছি, তা রক্ষা করতে হবে যে কোনো মূল্যে। পুরনো বছরের ভুলভ্রান্তি ভুলে এগিয়ে যেতে হবে। নতুন বছরের প্রথম দিনে প্রথম অঙ্গীকার আমরা গ্রহণ করব। বিদায়ী বছরের সঙ্গে সঙ্গে বিগত দুঃখ-বেদনা ভুলে নতুন দিনে নতুন করে সব শুরু করার তাগিদে মেতে উঠুক দেশবাসী। পাঠক, এজেন্ট, বিজ্ঞাপনদাতাসহ সব শুভানুধ্যায়ীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে