যুক্তরাষ্ট্রে দুর্বৃত্তের গুলিতে তরুণ নিহত

প্রবাসীর নিরাপত্তায় আরও নজর দিতে হবে

  অনলাইন ডেস্ক

১১ জুন ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১১ জুন ২০১৮, ০১:৫১ | প্রিন্ট সংস্করণ

সোনালি ভবিষ্যতের আশায় যারা বিদেশে পাড়ি জমান, তারা নিশ্চয়ই কেউ লাশ হয়ে ফিরতে চান না। অথচ প্রায়ই আমরা প্রবাসীর অপমৃত্যুর খবর পাই। গত শুক্রবার রাতে নিউইয়র্কে দুর্বৃত্তের গুলিতে এক বাংলাদেশি তরুণ নিহত হয়েছেন। নিহত আরিফুল ইয়াকুব রনি ফেনীর দাগনভূঞার বাসিন্দা। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের কুইন্স এলাকায় একটি মসজিদের ইমামসহ দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। অবশ্য এতে গত বুধবার দেশটির আদালত হত্যার দায়ে আসামি এক মার্কিন নাগরিককে আমৃত্যু কারাদ- দিয়েছেন। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৈধ কাগজপত্র থাকে না এবং দুর্বৃত্তরা এই সুযোগটিই নিয়ে থাকে। দেশে কর্মসংস্থান না হওয়ায় অনেক তরুণ অবৈধ পথে বিদেশে পা বাড়ায়। এমন ক্ষেত্রে কোনো আক্রমণ-নির্যাতনের শিকার হলে বিচার মেলা কঠিন।

এ ছাড়া সৌদি আরবে নারী শ্রমিক প্রেরণের অভিজ্ঞতাও আমাদের ভালো নয়। চলতি বছর সৌদি আরব থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে সহস্রাধিক নারী শ্রমিক দেশে ফিরে এসেছেন। এ ছাড়া দেশটির বিভিন্ন জেল ও সেফ হাউসে আরও অনেক নারী আছেন ফেরার অপেক্ষায়। ফেরত আসা নারীদের অনেকেই মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন। এসব নির্যাতিত নারীর অনেককেই তাদের পরিবার গ্রহণ করতে চাচ্ছে না।

এমন নির্যাতন বন্ধে দূতাবাসের নিয়মিত নজরদারি বাড়াতে ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। লোকবলের দোহাই দিয়ে দায়িত্ব এড়ানো যাবে না। এক-দুটি ক্ষেত্রে নির্যাতককে আইনের আওতায় আনা গেলে নারী নির্যাতনের মাত্রা কমবে আশা করি। আমরা রনির পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছি। রনি সেখানে ট্যাক্সি চালিয়ে তার পড়ালেখার ব্যয় নির্বাহ করত। আমরা আশা করছি এই হত্যাকা-ের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার হবে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে